Close Menu
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Facebook X (Twitter) Instagram
Zoom Bangla News
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয়
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা
  • শিক্ষা
  • আরও
    • লাইফস্টাইল
    • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
    • বিভাগীয় সংবাদ
    • অন্যরকম খবর
    • অপরাধ-দুর্নীতি
    • পজিটিভ বাংলাদেশ
    • আইন-আদালত
    • ট্র্যাভেল
    • প্রশ্ন ও উত্তর
    • প্রবাসী খবর
    • আজকের রাশিফল
    • মুক্তমত/ফিচার/সাক্ষাৎকার
    • ক্যাম্পাস
    • Jobs
    • জমিজমা সংক্রান্ত
Zoom Bangla News
Home লাইফস্টাইল কাজিনদের মধ্যে বিয়ে: ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে সতর্ক বার্তা দেয়
লাইফস্টাইল

কাজিনদের মধ্যে বিয়ে: ভবিষ্যৎ সম্পর্কে যে সতর্ক বার্তা দেয়

By Shamim RezaJun 1, 2026, 1:16 PM Asia/Dhaka14 Mins Read

ব্রিটেনের ব্র্যাডফোর্ড শহরের একটি ব্যস্ত বাড়িতে তিন বোন বেশ উচ্ছসিতভাবে গল্প করছে। তাদের বাড়িতে আজ একটি বিশেষ দিন।

Biya

Advertisement

একজন বিউটিশিয়ান ঘরের সোফায় বসে তাদের চুল বেঁধে দিচ্ছে আর মেকআপ করিয়ে দিচ্ছে। ঘরের পরিবেশ আনন্দ আর হাসিতে ভরপুর।

অনেকটা জেন অস্টেনের উপন্যাসের কোন দৃশ্যের মতো: তিনজন তরুণী, প্রত্যেকের বয়স ২০ এর কোঠায়, যাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিত্ব বেশ নজরকাড়া এবং তারা নানা বিষয়ে গল্প করছে।

অস্টেনের বেশিরভাগ উপন্যাসের মতো এই মেয়েদের কথোপকথনে প্রায়ই বিয়ের প্রসঙ্গ চলে আসে।

এই বোনেরা মূলত সাপ্তাহিক ছুটির দিনে তাদের এক পারিবারিক বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে – যেখানে বর এবং কনে সম্পর্কে ফার্স্ট কাজিন।

সাধারণত আপন চাচা বা আপন খালার ছেলে মেয়েরা অর্থাৎ আপন চাচাতো ভাইবোন ও আপন খালাতো ভাইবোনরা ফার্স্ট কাজিন হয়ে থাকে।

এই ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ের বিষয়টা অনেকের কাছেই অদ্ভুত বলে মনে করতে পারে, তবে এই তিন বোনের পরিবারে এবং ব্র্যাডফোর্ড এলাকায় এ ধরণের বিয়ে বেশ সাধারণ চিত্র।

আয়েশা, বয়স ২৯ বছর এবং তিন বোনের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বড়। ২০১৭ সালে তিনিও বিয়ে করেছিলেন তার ফার্স্ট কাজিনকে।

তার স্বামীর সঙ্গে দুটি সন্তান আছে এবং তারা দাম্পত্য জীবনে বেশ সুখী, তিনি বলেন।

তিনি যখন বিয়ে করেছিলেন তখন ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করার বিষয়টি একদম স্বাভাবিক মনে হয়েছিল।

এই তিন বোনের মা, একজন পাকিস্তানি অভিবাসী। অর্থাৎ তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা পাকিস্তানে হলেও পরে তিনি ব্রিটেনে এসে বসবাস শুরু করেন।

তার ধারণা ছিল যে তার তিন মেয়ে একই কাজ করবে, তাদের ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করবে।

কিন্তু ২৬ বছর বয়সী সালিনা, যিনি তিন বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট, তিনি বিবিসির সংবাদদাতাকে জানান যে, তিনি লাভ ম্যারেজ অর্থাৎ নিজের পছন্দে ভালোবেসে বিয়ে করে এই প্রথা ভেঙে দিয়েছেন।

পরিবারের বাইরের কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিয়েছেন তিনি। সালিনা বলেন, তিনি বহির্মুখী স্বভাবের এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষী।

নিজের কাজিনকে বিয়ে করার বিষয়টি তাকে কখনো আকর্ষণ করতে পারেনি।

তারপর আছেন মালিকা, তিন বোনের মধ্যে তিনি মেঝো, বয়স ২৭ বছর। তিনি এখনও সিঙ্গেল, কাউকে বিয়ে করেননি।

তিনি ইতিমধ্যে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে নিজ পরিবারের মধ্যে কাউকে বিয়ে করবেন না।

“আমি মাকে বলেছি, বোনদের সিদ্ধান্তের ভালোমন্দ আমি বিচার করছি না। কিন্তু আমি বিয়ে করব না,” মালিকা বলেন।

তিনি বলেন, শিক্ষা তার জীবনে আরো অনেক সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

“একটা সময় ছিল যখন আপনি শিক্ষা অর্জন সত্ত্বেও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারতেন না। আপনাকে বিয়ের কথা ভাবতেই হতো। এখনকার সময়ে এই মানসিকতা অনেক বদলেছে।”

উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান

যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপ জুড়ে, ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ের বিষয়টি অনেক পর্যালোচনার মুখোমুখি হচ্ছে – বিশেষ করে ডাক্তারদের পক্ষ থেকে।

তারা সতর্ক করছেন যে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে হলে এবং সন্তান নিলে সেই সন্তানদের বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভোগার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

এখন ব্র্যাডফোর্ড থেকে কিছু নতুন এবং সম্ভাব্য উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

ব্র্যাডফোর্ডের একটি বিশ্ববিদ্যালয় এই শহরে জন্মগ্রহণকারীদের দিয়ে ‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড’ শীর্ষক একটি গবেষণা পরিচালনা করছে। এবারে সেই গবেষণার বয়স ১৮ বছর হতে চলেছে।

এটি এ যাবতকালের অন্যতম বড় মেডিকেল পরীক্ষা। ২০০৭ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে, গবেষকরা শহরে ১৩ হাজারেরও বেশি শিশুর ওপরে এই গবেষণা পরিচালনা করে।

তাদেরকে শিশু বয়স থেকে কৈশোর এবং এখন প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার প্রাথমিক ধাপ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এই গবেষণায় অংশ নেয়া প্রতি ছয় জনের একজনেরও বেশি শিশুর বাবা-মা সম্পর্কে আপন ফার্স্ট কাজিন। এই শিশুদের একটি বড় অংশই ব্র্যাডফোর্ডে পাকিস্তান সম্প্রদায়ের।

ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে হলে তাদের সন্তানের স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব পড়বে এ নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান গবেষণা এটি।

গত কয়েক মাসে প্রকাশিত তথ্য – এবং বিবিসি রেডিও ফোর-এর “বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড” সিরিজে এসব তথ্যের বিশ্লেষণ থেকে গবেষকরা ধারণা করছেন যে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ের নেতিবাচক প্রভাব আগে যতোটা না ভাবা হতো, তার চাইতে আরো ভয়াবহ হতে পারে।

বাবা-মা রক্তসম্পর্কিত হলে তাদের সন্তানের বংশগত রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে যেমন: সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা সিকল সেল ডিজিজ।

জীববিজ্ঞানী গ্রেগর মেনডেলের ক্লাসিক জেনেটিক তত্ত্ব অনুযায়ী, যদি বাবা মা কোন বংশগত রোগের বাহক হন, তবে তাদের চারটি সন্তানের মধ্যে একজনের উত্তরাধিকারসূত্রে ওই রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

বাবা মা যখন সম্পর্কে ফার্স্ট কাজিন হন, তখন তাদের দুজনেরই বাহক হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

ফার্স্ট কাজিনদের সন্তানের বংশগত রোগ উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়ার আশঙ্কা ছয় শতাংশ, যেখানে অন্যদের ক্ষেত্রে এই হার তিন শতাংশ অর্থাৎ অর্ধেক।

কিন্তু ব্র্যাডফোর্ডের গবেষণাটিকে আরো বিশদভাবে দেখা হচ্ছে এবং নতুনভাবে আলোকপাত করা হয়েছে।

গবেষকরা শুধু কোনো শিশুর নির্দিষ্ট বংশগত রোগ আছে কি না সেটা দেখছেন না। বরং তারা শতাধিক তথ্যও পর্যবেক্ষণ করেছেন।

যেমন: এই শিশুদের ভাষাগত উন্নতি কেমন, তারা কতোটা দ্রুত কথা বলতে শিখছে, তাদের কতোটা স্বাস্থ্যসেবা নিতে হচ্ছে এবং স্কুলে তাদের পারফরমেন্স কেমন- এমন প্রতিটি বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

এরপর তারা একটি গাণিতিক মডেল ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে শিশুর ওপর থেকে পারিবারিক দরিদ্রতা ও বাবা মায়ের শিক্ষার প্রভাব অপসারণ করা যায়।

এবং রক্তের সম্পর্কযুক্ত বাবা মায়ের সন্তান হওয়ার কারণে কী কী প্রভাব পড়ছে শুধু সেদিকেই বিশেষভাবে মনোযোগ দেয়া যায়।

তারা দেখেছেন যে, দারিদ্র্যের মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করার পরেও, ব্র্যাডফোর্ডে ফার্স্ট কাজিনদের সন্তানের কথা বলা এবং ভাষাগত সমস্যা ধরা পড়ার আশঙ্কা ১১ শতাংশ পাওয়া যায়। যেখানে বাবা-মা আত্মীয় নন এমন শিশুদের ক্ষেত্রে এই শতাংশের হার সাত।

তারা আরও দেখেছেন যে ফার্স্ট কাজিনদের সন্তানের “উন্নয়নের ভালো পর্যায়ে” পৌঁছানোর সম্ভাবনা ৫৪ শতাংশ (ইংল্যান্ডে পাঁচ বছর বয়সী সকল শিশুদের জন্য একটি সরকারী মূল্যায়ন) থাকে, যেখানে বাবা-মা আত্মীয় নন এমন শিশুদের ক্ষেত্রে তা ৬৪ শতাংশ।

তাদের ডাক্তারের কাছে যাওয়ার সংখ্যা হিসেব করে তাদের দুর্বল স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও জানা যায়।

ফার্স্ট কাজিনদের বাচ্চাদের প্রাথমিক যত্নের জন্য বেশি বেশি ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়। যেসব বাবা-মা সম্পর্কে আত্মীয় নন এমন শিশুদের তুলনায় তা এক তৃতীয়াংশ বেশি।

অর্থাৎ যেসব শিশুর বাবা-মা আত্মীয় না, তাদের তুলনায় ফার্স্ট কাজিনদের সন্তানদের ৩৩ শতাংশ বেশি ডাক্তারের কাছে নেয়া হয়েছে।

এটা লক্ষণীয় যে, ওই গ্রুপের আপনি যদি এমন কিছু শিশু দেখতে পান যাদের ইতোমধ্যে বংশগত রোগ ধরা পড়েছে, তাদের পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায় এই পরিস্থিতি সেই শিশুদের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে যাদের রোগ ধরা পড়েনি।

ব্র্যাডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস প্রফেসর এবং এই গবেষণার লেখক নীল স্মল বলেন যে, “যদিও সকল শিশু যারা এমন রোগে আক্রান্ত, তাদেরকে স্বাভাবিকের চাইতে বেশিবার ডাক্তারের কাছে যেতে হয়েছে, তবুও এর মানে এই নয় যে রক্ত সম্পর্কিত বাবা-মায়ের সন্তানের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবহারের হার বেশি।”

তিনি বলেন, এই গবেষণাটি ” রোমাঞ্চকর, কারণ এমন পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত সেটা তৈরিতে সাহায্য করে। যাতে চিকিৎসা বা অন্য কোনো সহায়তা দেয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ করে তোলে।”

ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ

এটি অবশ্যই শুধুমাত্র একটি গবেষণা, এবং ব্র্যাডফোর্ডের জনসংখ্যা পুরো যুক্তরাজ্যকে প্রতিনিধিত্ব করে না।

তবে, এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে উদ্বেগ ক্রমান্বয়ে বাড়ছে যা ইউরোপের আইনপ্রণেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

দুটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে।

নরওয়েতে, গত বছর এ ধরণের বিয়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। সুইডেনে, আগামী বছর এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

যুক্তরাজ্যে, কনজারভেটিভ পার্টির এমপি রিচার্ড হোল্ডেন একটি প্রাইভেট মেম্বার্স’ বিল উপস্থাপন করেছেন, যাতে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করা হতে পারে, যা অবৈধ বিবাহের তালিকায় (পিতা-মাতা, সন্তান, ভাই-বোন, এবং দাদা-দাদি সহ) যুক্ত হবে।

তবে লেবার সরকার বলেছে যে এক্ষেত্রে তাদের “নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার কোনো পরিকল্পনা” নেই।

বর্তমানে, যুক্তরাজ্য এখনও “জেনেটিক কাউন্সেলিং” নীতি অনুসরণ করছে, যেখানে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে এবং সন্তান হওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে দম্পতিদের শিক্ষা দেওয়া হয়, এবং গর্ভাবস্থায় বারবার পরীক্ষা করাতে উৎসাহিত করা হয়।

তবে শিশুর স্বাস্থ্য এবং ব্রিটেনের জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা সংস্থা এনএইচএস-এর উপর চাপ বাড়ার উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এমন অবস্থায় কিছু গবেষক প্রশ্ন তুলছেন যে, বেশি বেশি তহবিল এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কাউন্সেলিংয়ের সংখ্যা আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন কিনা।

কিছু লোক মনে করছেন যে, স্ক্যান্ডিনেভিয়ান উদাহরণ অনুসরণ করে ফার্স্ট কাজিনদের বিয়ের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা সময়ের দাবি হতে উঠতে পারে। যা কঠিন এবং বিতর্কিত হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের বেশিরভাগ মানুষের জন্য ফার্স্ট কাজিনদের সাথে বিয়ের ধারণা বেশ অচেনা।

কিন্তু ব্রিটেনে এই বিষয়টি একসময় স্বাভাবিক ছিল বলা যেতে পারে। বিবর্তনবাদের জনক চার্লস ডারউইন তার আপন চাচাতো বোন, এমা ওয়েডউডকে বিয়ে করেছিলেন।

তাদের ছেলে, ভিক্টোরিয়ান বিজ্ঞানী স্যার জর্জ ডারউইন দেখতে পান যে, ১৯শ শতকের ব্রিটেনে প্রতি ২০টি অভিজাত বিয়ের মধ্যে একটি বিয়ে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে হতো।

তাদের মধ্যে একজন ছিলেন ব্রিটেনের রাণী ভিক্টোরিয়া, যিনি তার আপন চাচাতো ভাই, প্রিন্স আলবার্টকে বিয়ে করেছিলেন। উপন্যাস “ওয়েদারিং হাইটস”-এ একাধিক কাল্পনিক উদাহরণ পাওয়া যায়।

বিংশ শতাব্দীতে, চাচাতো ভাইবোনদের মধ্যে বিবাহের হার প্রায় এক শতাংশে নেমে আসে। তবে এটি কিছু দক্ষিণ এশীয় সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মধ্যে সাধারণ প্রথা হিসেবে রয়ে গেছে।

ব্র্যাডফোর্ডের তিনটি শহরতলিতে থাকা পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের প্রায় অর্ধেক (৪৬%) মা তাদের ফার্স্ট কাজিনের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ। “বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড” গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে, যা দুই বছর আগে প্রকাশিত হয়েছিল।

আশেপাশের প্রভাব

যারা এই প্রথাটি নিষিদ্ধ করতে চান, তাদের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তির জায়গা হলো: জনস্বাস্থ্য।

ডিসেম্বর মাসে প্রাইভেট মেম্বারস বিল ঘোষণার সময়, রিচার্ড হোল্ডেন বলেছিলেন যে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ের ফলে জন্মগত ত্রুটি নিয়ে সন্তান জন্মের ঝুঁকি বেশি থাকে।

পরে ‘টক টিভি’ চ্যানেলে, তিনি এমন কিছু তথ্য উপস্থাপন করেন যা থেকে জানা যায়, যে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে হলে তাদের শিশুর মৃত্যু হার বেশি থাকে।

সেইসাথে বংশগত রোগের কারণে হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক এবং কিডনির সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়।

তিনি আরো ব্যাখ্যা করেন যে, যখন এই প্রথাটি প্রজন্মের পর প্রজন্মে চলতে থাকে, তখন স্বাস্থ্যগত প্রভাবগুলো “কম্পাউন্ডেড” (একত্রিত) হতে পারে।

শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণেই প্যাট্রিক ন্যাশ, চাচাতো ভাইবোনের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করতে চান। মি. ন্যাশ একজন গবেষক এবং ফ্যারোস ফাউন্ডেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

গত বছর অক্সফোর্ড জার্নাল অব ল’ অ্যান্ড রিলিজিয়নে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে ন্যাশ লিখেছেন যে, নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলে “তাৎক্ষণিক” স্বাস্থ্যগত উন্নতি হবে, বিশেষত যেখানে এই প্রথাটি প্রচলিত রয়েছে।

তিনি বলেন: ” ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করলে জনস্বাস্থ্য ব্যাপকভাবে উন্নত হবে এবং এর নিজস্ব কোন নেতিবাচক স্বাস্থ্যগত প্রভাব থাকবে না।”

ব্র্যাডফোর্ডে, বাস্তব পরিস্থিতি আরো মিশ্র, বলেছেন অধ্যাপক স্যাম অডি। এই শহরে বিশ বছরের বেশি সময় কাজ করেছেন তিনি। তিনি মূলত একজন কনসালট্যান্ট, নিউনাটোলজিস্ট এবং ব্র্যাডফোর্ড টিচিং হসপিটালসের গবেষক।

এই সময়ে তিনি অনেক গুরুতর জেনেটিক রোগের উদাহরণ দেখেছেন। “আমি গুরুতর ত্বকের সমস্যা, মস্তিষ্কের সমস্যা, মাংসপেশির সমস্যা দেখেছি,” তিনি বলেন।

তিনি জানান যে, এই ধরনের সমস্যা ব্র্যাডফোর্ডে অন্যান্য এলাকার তুলনায় বেশি ঘটছে।

তিনি কিছু দুঃখজনক উদাহরণ টেনে বলেন: এমন কিছু পরিবার আছে যারা একের পর এক সন্তান হারিয়েছে একই জেনেটিক রোগের কারণে। “এটা খুব দুঃখজনক এবং পরিবারটির জন্য এটি মেনে নেওয়া কঠিন।”

একই পূর্বপুরুষ

তবে, প্রফেসর অডি মনে করেন, ব্র্যাডফোর্ডে জেনেটিক স্বাস্থ্য ঝুঁকির মূল কারণ শুধুমাত্র ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নয়, বরং ‌এর পেছনে অনেকাংশে ‘এন্ডোগামি’ দায়ী। এন্ডোগামি হলো যখন প্রথা অনুসারে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মধ্যে বার বার বিয়ে হয়।

একটি ঘনিষ্ঠ জাতিগত গোষ্ঠীর মধ্যে, মানুষের একই পূর্বপুরুষ এবং বংশগত জিন শেয়ার করার সম্ভাবনা বেশি থাকে — তারা সম্পর্কে ফার্স্ট কাজিন হোক বা না হোক, তিনি বলেন।

এন্ডোগামি শুধু পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের জন্যই নয়, এটি যুক্তরাজ্যের ইহুদি সম্প্রদায়ের মধ্যে এবং বিশ্বব্যাপী অ্যামিশ এবং ফরাসি কানাডিয়ানদের মধ্যেও একটি প্রচলিত সমস্যা।

“এমনটা প্রায়শই ঘটে যে, সঠিক পারিবারিক সম্পর্ক চিহ্নিত করা যায় না, কিন্তু জিনটি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীতে বেশি থাকে, এবং সেই কারণে, দুই পিতামাতা উভয়েই আক্রান্ত জিন বহন করেন,” প্রফেসর অডি বলেন।

“তাই বংশগত রোগের পেছনে একমাত্র কারণ ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে বলাটা একটি অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা। এক্ষেত্রে এন্ডোগামি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।”

শিক্ষার শক্তি

ফার্স্ট কাজিনদের বিয়েতে নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে, তিনি শিক্ষার শক্তির উপর জোর দিয়েছেন – যাকে তিনি “জেনেটিক লিটারেসি” বলেন।

এটি এমন এক শব্দ, যা বিভিন্ন আলাপে বারবার উঠে আসে। অনেক বছর ধরে ব্র্যাডফোর্ডে পাকিস্তানি সম্প্রদায়ের মধ্যে তাদের জেনেটিক ঝুঁকি সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য একটি প্রচারণা চালানো হচ্ছে।

চিকিৎসকরা দম্পতিদের বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিয়ে থাকেন; গর্ভাবস্থার ক্লাস নেন, গর্ভবতী মায়েদের সাথে জরুরি তথ্য শেয়ার করা হয়। অন্তত ব্র্যাডফোর্ডে, কেউ কেউ এই বার্তাটিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে এবং মেনে নিচ্ছে।

শুরুতে ব্র্যাডফোর্ডে তিন বোনের যে বাড়ির কথা বলছিলাম সেখানে আবার ফিরে যাই। সেখানে যাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে, তারা সবাই বলেছেন যে ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ের ধারণা ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে।

স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রতি বাড়তি সচেতনতার কারণে আংশিকভাবে এই পরিবর্তন এসেছে বলে তারা মনে করেন।

তারা শহরের অভাবগ্রস্ত, পোস্ট-ইন্ডাস্ট্রিয়াল ম্যানিংহ্যাম এলাকায় বসবাস করছেন। এখানে প্রতিবেশী সুলভ একটি পরিবেশ রয়েছে।

সবার সদর দরজা সরাসরি রাস্তার দিকে খোলে, আর দরজা খুললেই দেখা যায় সামনে শিশুরা খেলাধুলা করছে। মাঝে মাঝে তাদের হাসির শব্দও ভেতর থেকে ভেসে আসে।

“এটা এমন কিছু হতে হবে যা ধীরে ধীরে ঘটবে – আপনি তাড়াহুড়ো করতে পারবেন না,” বলেন সালিনা, যিনি ভালোবেসে পরিবারের বাইরের একজনকে বিয়ে করেছেন।

“আমার মা যখন [পাকিস্তান থেকে যুক্তরাজ্যে] এসেছিলেন, তখন তার বয়স অনেক কম ছিলো। তার আগের অনেক দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হয়েছে কারণ তিনি আমাদের ভালোবাসেন।

আমি তাকে শুধু বলেছিলাম, ‘মা, ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে চাপিয়ে দিয়ে তোমার কি কোন লাভ হচ্ছে?”

তার বড় বোন মালিহাও এই কথার সাথে একমত পোষণ করেন। ” সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মানুষের সাথে পরিচিত হওয়ার একটা প্রভাবও আছে,” তিনি বলেন।

“তোমরা এখন নতুন নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে পারছো… আমাদের বাবা-মায়েরা তাদের চেনা পরিচয়ের বাইরের লোকজনের সাথে যোগাযোগ করতে পারছে।”

এমনকি আয়েশা, যিনি তার ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করেছেন, তিনিও বলেছেন যে তার দুই সন্তান তাদের মতোই ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করবে এমনটা তিনি আশা করেন না।

যখন তিনি তার ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করেছিলেন, তখন, “আমি অন্য কোনও ধারণার ব্যাপারে জানতামই না। আমার বাবা মা তাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অবস্থানে শক্ত ছিলেন। তবে প্রজন্ম যতোই এগিয়ে যাচ্ছে, সংস্কৃতির বন্ধন ততোই ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে।”

তিনি তার দুই সন্তানকে জন্ম দেওয়ার সময় জেনেটিক ঝুঁকির বিষয়ে সচেতন ছিলেন। তাদের মধ্যে কোন জেনেটিক রোগ নেই।

“আমরা এটা মাথায় রেখেছিলাম,” জেনেটিক স্বাস্থ্য নিয়ে তিনি বলেন।

“কিন্তু আমি সবসময় মনে করি, যদি কিছু হওয়ার থাকে তাহলে তা হবেই। যদি শিশুর কোন প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জন্মানোর হয়, তাহলে সেটাই হবে, আপনি ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ে করেন বা না করেন।”

প্রকৃতপক্ষে, অন্তত ব্র্যাডফোর্ডে এই প্রথা কমে আসছে। ‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড’ গবেষণায় নতুন মায়েরা যারা তাদের সন্তানের বাবার ফার্স্ট কাজিন ছিলেন, তাদের সংখ্যা ২০০০ সালের শেষের দিকে ৩৯ শতাংশ থেকে কমে ২০১০ সালের শেষের দিকে ২৭ শতাংশ হয়েছে।

‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ড’ গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক জন রাইটের মতে, এটি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়।

তিনি উল্লেখ করেছেন যে সম্প্রতি তার গবেষক দল যুক্তরাজ্যে ফার্স্ট কাজিনকে বিয়ের ঝুঁকি সম্পর্কে প্রমাণ প্রকাশ করেছে।

“১০ বছর আগে যখন আমরা পরিবারগুলির সাথে কথা বলেছিলাম তখন এটা খুব স্পষ্ট ছিল যে তারা ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না কিন্তু সব বাবা মা তাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে ভালোটাই করতে চায়। তারা সুস্থ সন্তান পেতে চায়,” তিনি বলেন।

“শিক্ষা হল শুরুর বিন্দু এবং আমরা ‘বর্ন ইন ব্র্যাডফোর্ডে’ দেখিয়েছি যে এটি কতটা শক্তিশালী।”

‘জোরপূর্বক মিলনে বাধ্য করা’

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত উদ্বেগ ছাড়াও, আরও একটি কারণ রয়েছে যার কারণে অনেকেই ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ দেখতে চায়। এরমধ্যে একটি সামাজিক সংহতির উপর এর প্রভাব।

এই বিষয়টি স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় বিতর্ককে বহুলাংশে ত্বরান্বিত করছে। নরওয়েতে, যেখানে গত বছর চাচাতো ভাই-বোনের বিয়ে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল, আইন প্রণেতারা বলেছেন যে এই প্রথা জোরপূর্বক বিয়ের সাথে যুক্ত।

যেখানে কিছু দক্ষিণ এশীয় অভিবাসী নারীকে আত্মীয়দের সাথে জোরপূর্বক সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হয়।

নরওয়েজিয়ান সংবাদপত্রের জন্য এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন লিখেছিলেন সাংবাদিক তোঞ্জ এজিদিয়াস।

তিনি এ ধরণের বিয়ের পেছনে তথাকথিত সম্মান রক্ষার নামে সহিংসতার আলামত পান।

তার মতে, “পুলিশ দাবি করে যে ফার্স্ট কাজিনের সাথে বিয়ের ফলে অপরাধীদের পরিবারের মধ্যে সম্মান বজায় রাখা সহজ হয়।”

তিনি বলেন যে, “সম্মানের নামে সহিংসতা ও নির্যাতনের একটি প্রধান কারণ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বিয়ে হওয়া।”

নরওয়েজিয়ান পুলিশ কর্মকর্তা জেসমিনা হোল্টেন গত বছর নরওয়েজিয়ান টেলিভিশন চ্যানেল এনআরকে-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, কিছু নারীকে জোর করে ফাঁদে ফেলে তাদের ফার্স্ট কাজিনের সাথে বিয়ে দেওয়া হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা আর্থিক নির্ভরতার ফাঁদে পড়ে।

এসব ক্ষেত্রে, তালাক সাধারণত সমাজ থেকে বহিষ্কারের সমান হিসেবে ধরা হয়। ফার্স্ট কাজিনের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করলে সেই অত্যাচারের চক্র ভাঙা সম্ভব হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।

একইভাবে, সুইডেনের বিচারমন্ত্রী গুনার স্ট্রোমার বলেছেন যে, তার দেশে কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে নারীরা “সম্মানের নামে হওয়া অত্যাচার” থেকে মুক্তি পাবে।

এই সাংস্কৃতিক বিতর্ক ক্রমেই গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে। নিষেধাজ্ঞার পক্ষের সমর্থকরা সাধারণভাবে কাজিনদের বিয়েকে বিচ্ছিন্নতার একটি হাতিয়ার হিসেবে দেখেন, যা সমাজের বাকি অংশ থেকে মানুষকে বিচ্ছিন্ন করে।

ফ্যারোস ফাউন্ডেশনের ন্যাশ বলেছেন যে কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করলে ব্র্যাডফোর্ডের মতো জায়গায় জাতিগত বিভাজন কমাতে সাহায্য করবে।

অন্যরা মনে করেন, আইন প্রণয়নের মাধ্যমে মানুষকে একত্রিত করা সম্ভব নয়।

তারা বলছেন যে, যদি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়ও, কিছু দম্পতি অবৈধ, অনিবন্ধিত উপায়ে কাজিনদের বিয়ে করাতে থাকবে – এবং সেই বিয়েতে নারীদের মনে হতে পারে যে সম্পর্কটি খারাপ হলে তারা আর রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোন সুরক্ষা পাবে না।

বৈরিতার সৃষ্টি

অনেকের মতে, কাজিনদের মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার ফলে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হতে পারে, দেখা যাবে এখানে সংখ্যালঘু গোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।

সম্মানের নামে নির্যাতন বন্ধে কাজ করা দাতব্য প্রতিষ্ঠান ‘কার্মা নির্ভানা’, ফার্স্ট কাজিনদের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ করার প্রস্তাবকে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার হাতিয়ার, ঘৃণা উসকানো এবং কমিউনিটির মধ্যে বৈরিতা সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা ” হিসেবে বর্ণনা করেছে।

রিচার্ড হোল্ডেনের বিলটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ বা হাউস অফ কমন্সে অপেক্ষা করছে। সরকারি সমর্থন ছাড়া এটি কখনই পাস হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ায় এর অস্তিত্ব এবং কিছু ঘটনার ফলে কাজিনদের মধ্যে বিয়ে বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এই আলোচনা সেই সব সম্প্রদায়ের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে এই প্রথা বেশ প্রচলিত।

অবশ্য, যারা কাজিনদের বিয়ে করেছেন, তাদের জীবন আগের মতোই চলে যাচ্ছে।

ব্র্যাডফোর্ডের সেই বাড়িতে, বিউটিশিয়ান তিন বোনের চুল সাজানোর শেষ কাজটি করছেন। ছুটির দিনে তাদের কাজিনদের বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে এতো আয়োজন।

আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে

আয়েশা, যার বিয়ে তার ফার্স্ট কাজিনের সাথে হয়েছে, তিনি তাদের কয়েক দশকের দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে বলেন, “কষ্ট তো আছেই – আমরা অনেক কিছু সহ্য করেছি, অনেক কিছু ত্যাগ করেছি,” তিনি তার স্বামী সম্পর্কে বলেন। “কিন্তু আমরা একসঙ্গে সুখী।”

“আমি মনে করি, প্রেমের বিয়েতেও সমস্যা হবে। সেগুলি শুধু ভিন্ন ধরনের হবে।”

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

FacebookXLinkedInMessengerWhatsAppCopyEmailTelegram
Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।
কাজিনদের মধ্যে বিয়ে
Shamim Reza
  • Website
  • Facebook
  • X (Twitter)
  • Instagram
  • LinkedIn

Shamim Reza is an experienced journalist and sub-editor at Zoom Bangla News, with over 13 years of professional experience in the field of journalism. Known for his strong writing skills and editorial insight, he contributes to producing accurate, engaging, and well-structured news content. Born and brought up in Jashore, his background and experience shape his deep understanding of social and regional perspectives in news reporting.

Related Posts
মিয়াজাকি আম

মিয়াজাকি বা সূর্যডিম আম কেন এত দামি

Jun 1, 2026, 11:37 AM Asia/Dhaka
Cancer

কেমোথেরাপি ছাড়াই ভালো হবে ক্যানসার

May 31, 2026, 11:04 PM Asia/Dhaka
Beef

গরুর মাংস কতটুকু খাওয়া নিরাপদ?

May 31, 2026, 5:14 PM Asia/Dhaka
Latest News
মিয়াজাকি আম

মিয়াজাকি বা সূর্যডিম আম কেন এত দামি

Cancer

কেমোথেরাপি ছাড়াই ভালো হবে ক্যানসার

Beef

গরুর মাংস কতটুকু খাওয়া নিরাপদ?

hair

চুলের হাল ফেরাতে পারে তেঁতুল, জেনে নিন ব্যবহার

প্রস্রাবের রঙ

প্রস্রাবের রঙই জানাবে শরীরে কোন রোগ বাসা বেঁধেছে

ঈদে গরুর মাংস

ঈদে গরুর মাংস খাওয়ার পরপরই ভুলেও যেসব খাবার খাবেন না!

মাংস

অতিরিক্ত মাংস খেলে পেট খারাপ ও ডায়রিয়া কেন হয়? বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা

কোষ্ঠকাঠিন্য

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ১১টি কার্যকর ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিক উপায়

হজম

ঈদের ভারী খাবারের পর বদহজম দূর করার সহজ ঘরোয়া উপায়

পানি

সকালে ডাবের পানি পানের ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা

 

Zoom Bangla News

Zoom Bangla News is your trusted destination for fast, accurate, and relevant Bangla News. We bring you the latest Bengali news from Bangladesh, India, and around the world. From breaking Bangla news to in-depth coverage of politics, sports, entertainment, lifestyle, and technology—Zoom Bangla News delivers the stories that truly matter to Bangla news readers.

  • About Us
  • Contact Us
  • Career
  • Advertise
  • DMCA
  • Privacy Policy
  • Feed
  • Authors
  • Editorial Team Info
  • Ethics Policy
  • Correction Policy
  • Fact-Checking Policy
  • Funding Information
© 2026 ZoomBangla Pvt Ltd. - Powered by ZoomBangla

Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

TelegramXWhatsApp