আজকের সময়ে ফোনের সঙ্গে ইয়ারফোন থাকা যেন স্বাভাবিক ঘটনা। ইয়ারফোনের পর এসেছে ইয়ারপড, ইয়ারবাড—আর এখন ব্লুটুথ প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও ছোট, আরামদায়ক এবং প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এর সঙ্গে কিছু স্বাস্থ্যঝুঁকিও জড়িত, যা অনেকেই উপেক্ষা করেন।

সম্প্রতি তুরস্কের এক তরুণীর কানে থাকা ইয়ারবাড আচমকা বিস্ফোরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে তার শ্রবণক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইয়ারবাড নির্মাতা সংস্থা তদন্ত শুরু করলেও সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। যদিও এমন ঘটনা খুবই বিরল, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি।
ইয়ারফোন ব্যবহারের সময় যে বিষয়গুলো মেনে চলা উচিত:
দীর্ঘ সময় ব্যবহার এড়ানো: একটানা গান শুনলে বা কথা বললে কানের ভেতরের চাপ বেড়ে যায়, যা শ্রবণশক্তি ক্ষতি করতে পারে। মাঝে মাঝে বিরতি দিয়ে কানের বিশ্রাম দিন।
শ্রবণমাত্রা নিয়ন্ত্রণ: অনেকেই খুব জোরে গান শোনেন। চিকিৎসকরা “৬০-৬০ নিয়ম” মানার পরামর্শ দেন—৬০ মিনিট ধরে ৬০ ডেসিবেল মাত্রায় গান শুনুন, তারপর আওয়াজ কমিয়ে দিন।
পরিষ্কার রাখা: কানের ময়লা, ঘাম বা ধুলো জমে ডিভাইসের ভেতরে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এতে ধীরে ধীরে যন্ত্র নষ্ট হয় এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি বাড়ে।
সঠিক চার্জিং: ইয়ারফোন চার্জে বসিয়ে রাতভর রাখা, সস্তা চার্জার ব্যবহার করা বা ভেজা হাতে ধরার অভ্যাস বিপদের কারণ হতে পারে।
কানে অস্বস্তি হলে সতর্কতা: যদি কানে জ্বালা বা গরম লাগে, তা উপেক্ষা করবেন না। সঙ্গে সঙ্গে ইয়ারফোন ব্যবহার বন্ধ করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ইয়ারফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতা রাখলে স্বাস্থ্যঝুঁকি কমানো সম্ভব। স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহারের সঙ্গে নিরাপত্তা মেনে চলাও অত্যন্ত জরুরি।
সূত্র: আনন্দবাজার ডট কম
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


