পাথরকুচি একটি বহুল পরিচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যা প্রাচীনকাল থেকেই বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদ ও লোকজ চিকিৎসায় এর পাতাকে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয়। আধুনিক গবেষকদের মতে, পাথরকুচি কিডনি, লিভার, জন্ডিস এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণসহ নানা শারীরিক সমস্যায় উপকারী ভূমিকা রাখতে পারে। নিচে এর কিছু প্রচলিত ব্যবহার তুলে ধরা হলো—

পাথরকুচি

Advertisement

১. কিডনিতে পাথর
পাথরকুচি পাতা কিডনি ও মূত্রনালির পাথর অপসারণে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২. পেট ফাঁপা ও প্রস্রাবের সমস্যা
পেট ফাঁপা বা প্রস্রাব আটকে যাওয়ার সমস্যায় পাথরকুচির পাতার রস সামান্য গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায় বলে প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে।

৩. মৃগী রোগে
মৃগী রোগের ক্ষেত্রে পাথরকুচির পাতার রস অল্প পরিমাণে ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে লোকজ চিকিৎসায়।

৪. শিশুদের পেট ব্যথা
শিশুর পেট ব্যথায় পাথরকুচির পাতার রস হালকা করে পেটে মালিশ করলে আরাম পাওয়া যায় বলে ধারণা করা হয়।

৫. ত্বকের যত্নে
পাতাটিতে প্রচুর জলীয় উপাদান থাকায় এটি ত্বকের জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৬. পাইলস
পাথরকুচির পাতার রস গোলমরিচের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার প্রচলন রয়েছে পাইলস বা অর্শ রোগের উপশমে।

৭. জন্ডিসে
লিভারের বিভিন্ন সমস্যায় এবং জন্ডিসের ক্ষেত্রে তাজা পাথরকুচি পাতা ও এর রস ব্যবহারের কথা লোকজ চিকিৎসায় বলা হয়।

৮. শরীরের জ্বালাপোড়া
দুই চা-চামচ পাতার রস আধা কাপ গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুইবার গ্রহণ করলে উপশম পাওয়া যায় বলে বলা হয়।

৯. উচ্চ রক্তচাপ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং মূত্রথলির সমস্যা কমাতে পাথরকুচির রস ব্যবহারের প্রচলন রয়েছে।

এসব ব্যবহার প্রচলিত লোকজ চিকিৎসার অংশ। যেকোনো শারীরিক সমস্যায় অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Mynul Islam Nadim is a journalist at Zoom Bangla News, contributing to news writing and editorial support. He is involved in refining content to ensure accuracy, clarity, and consistency for digital platforms. His work reflects a commitment to responsible journalism and audience-focused reporting.