টুথব্রাশ আমাদের মুখের স্বাস্থ্য রক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। প্রতিদিন দাঁত ও মাড়ি পরিষ্কার করার সময় আমরা এটি ব্যবহার করি। তবে নিয়মিত ব্যবহারের কারণে ব্রিসলে জীবাণু, প্লাক ও খাবারের অংশ জমে যায় এবং ব্রিসল ক্ষয় হতে থাকে। এজন্য ডেন্টাল বিশেষজ্ঞরা সাধারণত প্রতি ৩-৪ মাস অন্তর টুথব্রাশ পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।

শুধু ব্রিসলের ক্ষয় নয়, আরও কয়েকটি কারণে টুথব্রাশ বদলানো জরুরি:
১. ব্রাশের কার্যকারিতা কমে যাওয়া
নিয়মিত ব্যবহারে ব্রিসল ধীরে ধীরে বেঁকে যায় বা ক্ষয় পেতে শুরু করে। এর ফলে দাঁতের প্লাক, খাদ্যের অংশ ও জীবাণু ঠিকমতো পরিষ্কার হয় না। শক্ত ও সঠিক আকৃতির ব্রিসল থাকলে দাঁত ভালোভাবে পরিষ্কার করা সম্ভব। যদি ব্রাশ দ্রুত নষ্ট হয়, তাহলে ১-২ মাস অন্তরও বদলানো যেতে পারে।
২. জীবাণু ও ব্যাকটেরিয়া জমে যাওয়া
ভেজা বা সঠিকভাবে শুকানো না হওয়া ব্রাশে সময়ের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়া, ফাঙাস ও জীবাণু জমতে পারে। এই জীবাণু আবার মুখে প্রবেশ করে দাঁত ও মাড়ির রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিয়মিত টুথব্রাশ বদলানো উচিত।
৩. মাড়ি ও দাঁতের ক্ষতির ঝুঁকি
পুরনো বা নষ্ট ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ মাড়িতে আঘাত করতে পারে। এর ফলে রক্তপাত, প্রদাহ বা সংক্রমণ হতে পারে। নতুন, নরম ব্রিসলযুক্ত ব্রাশ মাড়ি ও দাঁতের জন্য নিরাপদ এবং কার্যকর।
৪. সংক্রামক রোগের পর
জ্বর, সর্দি-কাশি বা ফ্লুর মতো রোগে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলে টুথব্রাশ পরিবর্তন করা গুরুত্বপূর্ণ। পুরনো ব্রাশে রোগজীবাণু থেকে যেতে পারে, যা পুনঃসংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই অনেক ডেন্টাল বিশেষজ্ঞ অসুস্থতার পর টুথব্রাশ দ্রুত পরিবর্তনের পরামর্শ দেন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


