শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ভারতীয় প্রবীণ অভিনেতা ও প্রযোজক সুদেশ কুমার মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি মুম্বাইয়ে নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর। দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৃত্যুর দুই সপ্তাহে স্ট্রোক করেছিলেন সুদেশ। পরে এই অভিনেতাকে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে আবারও সুদেশ কুমারকে বাসায় নেওয়া হয়।
সুদেশ কুমার ১৯৩১ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি তিনি স্ত্রী জয়া এবং কন্যা মিশিকাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল সোমবার (৪ মে) বিকালে মুম্বাইয়ে তার মৃত্যুতে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিনেতার স্ত্রী জয়া ধাওয়ান বলেন, তার অনুরোধে আমরা বৃহস্পতিবার তাকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনি, যেখানে আমরা একটি অস্থায়ী চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করেছিলাম। কিন্তু পরদিন সকালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
১৯৩১ সালে পেশোয়ারে জন্মগ্রহণকারী এই অভিনেতা শৈশবে তার পরিবারের সঙ্গে বোম্বেতে চলে আসেন। ব্যাপক পরিচিতি পাওয়ার আগে তিনি স্বল্প বাজেটের কস্টিউম ড্রামা এবং ভক্তিমূলক চলচ্চিত্রে ছোট ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন।
তিনি ‘ছোটি বহেন’ (১৯৫৯) ছবিতে একজন ডাক্তারের ভূমিকায় অভিনয় করে পরিচিতি লাভ করেন। ‘সারঙ্গা’ (১৯৬১) নামক একটি বিয়োগান্তক প্রেমের গল্পে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে এই অভিনেতা খ্যাতি অর্জন করেন এবং এরপর ‘ভরসা’ (১৯৬৩) ও ‘খানদান’ (১৯৬৫)-এর মতো ছবিতে কাজ করেন।
পরবর্তীতে তিনি প্রযোজনার জগতে পা রাখেন এবং ‘মন মন্দির’ (১৯৭১), ‘গুলাম বেগম বাদশাহ’ (১৯৭৩), ‘উলঝান’ (১৯৭৫), ‘বদলতে রিশতে’ (১৯৭৮), এবং ‘জান হাতেলি পে’ (১৯৮৭)-এর মতো ছবি প্রযোজনা করেন। তিনি ‘পেয়ার কা বন্ধন’ (১৯৬৩) এবং ‘দো বদন’ (১৯৬৬)-এর মতো ছবিতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেন, যা ক্যামেরার পেছনে তার অবদানকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
তিনি ১৯৮২ সালে জয়া নায়েককে বিয়ে করেন। জয়া বেশ কয়েকটি প্রসাধনী এবং খাদ্য ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপনে কাজ করেন।দ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


