রোজার সময় ইফতারে খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা আমাদের একটি প্রাচীন ও প্রচলিত রীতি। এটি শুধু ক্ষুধা মেটানোর জন্য নয়, শরীরকে দ্রুত শক্তি যোগানোর জন্যও খুবই কার্যকর। খেজুরের প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ পান করা যায় হালকা রসালো খেজুর, স্মুদি বা চাটনি আকারে, যা খাবারের স্বাদকেও বৃদ্ধি করে।

বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির খেজুর পাওয়া যায়—কিছু লম্বাটে, কিছু খানিকটা শক্ত, আবার কিছু হালকা খয়েরি বা গাঢ় রঙের। তবে ভালো মানের খেজুর চেনা অনেকের জন্য সহজ নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি বিষয় খেয়াল করলে সহজেই মানসম্পন্ন খেজুর বাছাই করা সম্ভব।
রঙের মাধ্যমে মান যাচাই: খেজুরের রঙে তার পরিপক্কতার স্তর বোঝা যায়। কম পাকা খেজুর সাধারণত হালকা হলদেটে রঙের হয়, এবং যত বেশি পাকবে রঙ ততই গাঢ় হয়।
গায়ের রঙ ও নরমত্ব: খেজুর কিছুটা শুকনো বা কোঁচকানো হলে সেটি বেশি ভালো নয়। হালকা নরম ও চকচকে খেজুর ভালো মানের হিসেবে ধরা হয়। হাত দিয়ে চাপ দিয়ে দেখুন, খুব শক্ত বা খুব নরম কিনা।
গন্ধ: খেজুরে তীব্র গন্ধ না থাকলেও তার নিজস্ব সুগন্ধ থাকা উচিত। মুখে দিয়ে স্বাদ বা গন্ধে যদি খেজুর ঠিক না লাগে, তাহলে তা বর্জন করুন।
প্যাকেজিং পরীক্ষা করুন: খেজুর কিনতে গেলে প্যাকেট ভালোভাবে দেখুন। কাটা বা ফাটা প্যাকেটের খেজুর সাধারণত তাজা থাকে না।
প্রাকৃতিক মিষ্টির মাত্রা: ভালো খেজুরের মিষ্টি প্রাকৃতিক ও সহনীয় হয়। অতিরিক্ত মিষ্টি খেজুরে কৃত্রিম মিষ্টি মিশানো থাকতে পারে।
পিঁপড়া ও মাছি: খেজুরের সামনে পিঁপড়া বা মাছি থাকলে বোঝা যায় এটি ভালো মানের নয়।
এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলেই রোজার সময়ে ইফতারে মানসম্পন্ন খেজুর বেছে নেওয়া সম্ভব। সঠিক খেজুর বেছে নেওয়ার মাধ্যমে শরীরকে দ্রুত শক্তি দেওয়া যায় এবং রোজার অভিজ্ঞতাটিকে আরও আরামদায়ক করা যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


