রোজায় দীর্ঘ সময় কিছু খাওয়া-দাওয়া না করার কারণে শরীর পানি হ্রাসের ঝুঁকিতে থাকে। দিনের বেলা পানাহার থেকে বিরত থাকায় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর মাধ্যমে শরীর থেকে তরল ক্ষয় হয়। তাই শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, বরং সঠিক অভ্যাসও গড়ে তোলা জরুরি।

১. ধাপে ধাপে পানি গ্রহণ করুন
সেহরি ও ইফতারে একসঙ্গে বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে ধীরে ধীরে এবং নিয়মিত পানি পান করুন। এতে শরীর পানি শোষণ করতে পারে এবং দীর্ঘ সময় হাইড্রেটেড থাকে।
২. তরল সমৃদ্ধ খাবার রাখুন
ফল ও সবজি যেমন তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটো ইত্যাদি সেহরি ও ইফতারে রাখলে শরীরে জল ধরে থাকে।
৩. ক্যাফেইন ও মিষ্টি পানীয় কম নিন
চা, কফি, কোলার মতো পানীয় এবং চিনিযুক্ত জুস শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। তাই রোজা রাখার সময়ে এগুলো সীমিত করা উত্তম।
৪. লবণ ও মসলাযুক্ত খাবার কম খাওয়া
অতিরিক্ত লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। সেহরি ও ইফতারে খুব লবণ বা তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। লবণের বদলে লেবু, জিরা, তুলসী দিয়ে স্বাদ বাড়ানো যেতে পারে।
৫. বাইরের তাপে সতর্ক থাকুন
সূর্যের তাপে দীর্ঘ সময় থাকলে বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করলে ঘামের মাধ্যমে আরও পানি ক্ষয় হয়। সম্ভব হলে হালকা কাজ করুন এবং বিশ্রাম নিন।
৬. ইফতার ও সেহরিতে স্যুপ বা দই রাখুন
হালকা তরকারি স্যুপ বা দই শরীরকে পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে। এছাড়া দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান হজম প্রক্রিয়াও সহায়তা করে।
৭. শরীরের সংকেত লক্ষ্য করুন
রোজা রাখার সময় অতিরিক্ত পিপাসা, মাথাব্যথা, ক্লান্তি বা কম প্রস্রাবের রং পানিশূন্যতার ইঙ্গিত হতে পারে। এই লক্ষণ দেখা দিলে রোজা ভেঙে শরীরকে পুনরায় হাইড্রেট করুন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৮. সঠিক অভ্যাস গড়ে তুলুন
সেহরি ও ইফতারে পানি ও তরল খাবার সঠিকভাবে গ্রহণ করলে শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করা সহজ হয় এবং রোজা রাখার সময় স্বাভাবিক শক্তি বজায় থাকে।
তথ্যসূত্র: এবিপি লাইভ
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


