টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সর্বশেষ আসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ছিল না। পরবর্তী আসর আরও দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হবে। এর মাঝেই আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজনের কথা রয়েছে। এই সময়টিকে টি-টোয়েন্টি সিরিজের মাধ্যমে ওয়ানডে বিশ্বকাপের জন্য দল গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশের স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ।

আগামী সোমবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শহীদ মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে আসেন টাইগারদের স্পিন কোচ মুশতাক আহমেদ।
তিনি বলেন, দলে অনেক নতুন খেলোয়াড় এসেছে, আবার কেউ কেউ টি-টোয়েন্টি দলে না থাকায় ফিরে গেছে। তবে ড্রেসিংরুমের পরিবেশ এখন জয়ের আনন্দে ভরপুর।
ড্রেসিংরুমের পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জয় সব সময়ই আনন্দের বিষয়। জয়ের মধ্যে থাকলে খেলোয়াড়রা অনেক কিছুই স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে। তবে কোচিং স্টাফ হিসেবে আমরা সব সময় উন্নতির জায়গা খুঁজি। প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত এক শতাংশ উন্নতির সুযোগ থাকে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আপাতত না থাকলেও সামনে ওয়ানডে বিশ্বকাপ রয়েছে—এই প্রেক্ষাপটে টি-টোয়েন্টি দল গঠনের পরিকল্পনা কী, এমন প্রশ্নে মুশতাক বলেন, এই ফরম্যাট থেকেই ভবিষ্যতের ওয়ানডে দল তৈরি করা সম্ভব।
তিনি বলেন, সাদা বলের ক্রিকেট শক্তিশালী করা খুব জরুরি। এটি তরুণদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। নতুন কিছু খেলোয়াড় দলে এসেছে, যা বেঞ্চ শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে ম্যাচ জেতার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে।
মুশতাক আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ দল সঠিক পথে এগোচ্ছে। যদিও খুব শিগগিরই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নেই, তবুও এখান থেকেই ওয়ানডের জন্য খেলোয়াড় তৈরি করা সম্ভব। যারা ভালো করবে, তারা ভবিষ্যতে বড় মঞ্চে আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে পারবে।
তিনি উল্লেখ করেন, টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জয় বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক। তরুণদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের জন্য নিজেদের প্রমাণ করার ভালো মঞ্চ।
বেঞ্চ শক্তি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বকাপে সফল হতে হলে বিকল্প খেলোয়াড়দের প্রস্তুত রাখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। খেলোয়াড়রা যত বেশি ম্যাচ খেলবে, জাতীয় দলের জন্য তত বেশি উপযোগী হয়ে উঠবে।
বোলিং বিভাগ নিয়ে তিনি বলেন, ক্রিকেটে যেমন ব্যাটিংয়ে জুটি গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি বোলিংয়েও জুটি গুরুত্বপূর্ণ। মাঝের ওভারে স্পিনারদের ভূমিকা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তারা রান আটকে রাখতে এবং উইকেট নিতে সাহায্য করে।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক সিরিজগুলোতে মাঝের ওভারে বাংলাদেশ ভালো বোলিং করেছে। নাসুম ও শেখ মেহেদীর মতো অভিজ্ঞ স্পিনাররা ভালো পারফর্ম করছে। ফলে স্পিন বিভাগ বর্তমানে ভালো অবস্থায় রয়েছে এবং পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সবাই ভূমিকা রাখছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


