জুমবাংলা ডেস্ক : ময়মনসিংহের নান্দাইলে তৃতীয় বিয়ে করতে গিয়ে কনের বাড়িতে আটকা পড়েন বরসহ বরযাত্রী। ক্ষুব্ধ কনে বাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে বরযাত্রীদের মারপিটের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ।

Advertisement

পরে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার হয় তারা। গত রোববার রাতে নান্দাইল উপজেলার সিংরইল ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার শেরপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের ওয়াহেদ আলীর ছেলে মো. স্বপন মিয়া (২৭) তৃতীয় বিয়ে করতে যান সিংরইল ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে। গত রোববার বরযাত্রী যাওয়ার পর খাওয়া-দাওয়া শেষ হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে কাজি বিয়ে পড়াতে গেলে বিপত্তি বাধে।

বিয়ের আগমুহূর্তে কনে জানতে পারেন স্বপন মিয়া আগে আরও দুটি বিয়ে করেছেন। কিছুদিন সংসার করার পর তাঁর নির্যাতনে সেই দুই বউ চলে গেছেন। এ নিয়ে বিয়েবাড়িতে হট্টগোল সৃষ্টি হয়।

আরও জানা যায়, একপর্যায়ে কনের বাড়ি থেকে বর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে কনের বাড়ির লোকজন বর স্বপন মিয়াসহ বরযাত্রীদের আটকে রেখে মারধর করে। এতে বরের অন্তঃসত্ত্বা বোন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় কৌশলে ৯৯৯ নম্বরে কল দিয়ে পুলিশের সহায়তা চান তাঁরা। পরে নান্দাইল মডেল থানা–পুলিশ গিয়ে বরসহ অন্যদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে বর স্বপন মিয়া বলেন, ‘আমি আগে আরও দুটি বিয়ে করেছিলাম। ঘটক হয়তো একটি বিয়ের কথা বলেছে। বিষয়টি শুনতে পেয়ে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের আটক করেছিলেন। পরে পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার হয়েছি।’

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ বলেন, ‘৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের উদ্ধার করি। কনেপক্ষের লোকজন বরপক্ষের লোকজনকে মারধর করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বীরগঞ্জের বধূ হয়ে আসলেন মিসরীয় তরুণী

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.