শুধু পদ্মা ব্যারেজ নয়, এর পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজেরও কাজ শুরু করবে বিএনপি সরকার। তিনি বলেন, অনেকেই বড়ো বড়ো কথা বললেও বিএনপি জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে গাজীপুরে এক সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে এ ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এর আগে, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় ও দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে যাত্রা শুরু হয় বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান ‘জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’-এর। দিনব্যাপী গাজীপুর সফরের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে টঙ্গীর সাতাইশে এই বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট আঙিনায় একটি তাল গাছের চারা রোপণ করেন এবং পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।
পরে জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সুধী সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমান্তের ওপারে ব্যারেজ নির্মাণের ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শুষ্ক মৌসুমে পানি সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। দেশের মানুষ যেন পানি পায়, সেজন্য আমরা পদ্মা নদীতে ব্যারেজ নির্মাণ করবো। ফারাক্কা বাঁধের ফলে সমুদ্রের পানি ঢুকে উপকূলের লবণাক্ততা বাড়ছে। এই সঙ্কট লাঘবে বিএনপি সরকার পদ্মা ব্যারেজ ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে এবং পদ্মা ব্যারেজের পাশাপাশি তিস্তা ব্যারেজেরও কাজ শুরু করবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সরকারপ্রধান বলেন, বড়ো বড়ো কথা নয়, কাজ যদি কেউ করে থাকে বিএনপি করেছে। অনেকেই বড়ো বড়ো কথা বললেও বিএনপির সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ নেই। তবে কীভাবে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে পারি, সেই ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। সরকার প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও কাজ করছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিশ্রুত খাল খনন কর্মসূচি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। এটি মোটেও কোনো রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



