আন্তর্জাতিক ডেস্ক : টানা ১৮ বছরের চেষ্টায় চুল লম্বা করেছিলেন জাহাব খান। দীর্ঘ এ সময়ে একবারের জন্যও চুলে কাঁচি ছোঁয়াননি। দেড় যুগ পর এসে কেটে ফেলেছেন দিঘল চুল। শুধু তা–ই নয়, শিশুদের কল্যাণে দান করেছেন কেটে ফেলা সেই চুল। আর এ উদ্যোগ তাঁকে বৈশ্বিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। সবচেয়ে লম্বা চুল দান করার বিশ্ব রেকর্ড এখন জাহাবের দখলে।

Advertisement

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ৩১ বছর বয়সী জাহাব খানের বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ার উত্তরাঞ্চলে। পেশায় তিনি স্কোয়াশ খেলোয়াড়, কোচ ও সমাজকর্মী। ১৩ বছর বয়সে সবশেষ চুল কেটেছিলেন জাহাব। এর পর থেকে লম্বা চুল পাওয়ার দীর্ঘ যাত্রা শুরু তাঁর।

দেড় যুগে তাঁর চুলের দৈর্ঘ্য দাঁড়ায় প্রায় ১৯০ সেন্টিমিটার বা ৬ ফুট ৩ ইঞ্চিতে। সবচেয়ে লম্বা চুলের খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত ছিলেন তিনি। নিয়মিত পরিচর্যা ও দাদির তৈরি একটি বিশেষ তেল ব্যবহার করায় তাঁর চুল লম্বা ও মজবুত হয়েছে বলে জানান জাহাব।

চলতি বছরের ২৬ আগস্ট মহৎ এক উদ্দেশে নরসুন্দরের কাছে যান জাহাব। কাঁচির নিচে সঁপে দেন শখের লম্বা চুল। এ সময় জাহাবের মাথা থেকে ১৫৫ সেন্টিমিটার বা ৫ ফুট ১ ইঞ্চি চুল কেটে ফেলা হয়। পরে কেটে ফেলা চুল তিনি শিশুদের কল্যাণে দান করেন।

বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে যেসব শিশু মাথার চুল হারিয়েছে, তাদের বিনা মূল্যে চুল প্রতিস্থাপনে ব্যবহার করা হবে জাহাবের এ দান। আর মহৎ এই কাজ করেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম উঠে গেছে জাহাবের। গত মঙ্গলবার গিনেস কর্তৃপক্ষ নিজেদের ওয়েবসাইটে জাহাবের রেকর্ড গড়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে, জাহাবের আগে আর কেউ এত লম্বা চুল দান করেননি।

অন্যায়ের প্রতিবাদে কলম ধরেছেন মেক্সিকোর যৌনকর্মীরা

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.