
তিনি জানান, মেম্বার আবুল খায়েরের বাড়ির পিছনে গর্তের মধ্যে লতাপাতা দিয়ে ডাকা অনেক গুলো চালের বস্তা পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা আমাকে জানায় পরবর্তীতে আমি খোঁজ নিয়ে জানতে পারি অনেকেই এই চালের বস্তা কাড়াকাড়ি করে নিয়ে যায়। এই চাল কোথা থেকে এসেছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এই চাল হতদরিদ্রের ১০ টাকা কেজির চাল। সরকার চালের ব্যাপারে কঠোর হওয়ায় কেউ হইতো এখানে লুকিয়ে রেখেছে। সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির দাবিও জানান তিনি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গালাগাও গ্রামের আমিন, হারেছ, আশরাফুল, সেলিম, মিমতা উদ্দিন, মাইন উদ্দিন, নরুদ্দিন ও রফিক সহ আরো অনেকে ১/২ বস্তা করে চাল নিয়েছে। আমিন ও হারেছ জানান মেম্বারের বাড়ির পাশে একটি গর্তে লুকিয়ে রাখা চালের বস্তা অনেকেই কাড়াকাড়ি করে নিয়ে যাচ্ছে তখন আমরাও দুই বস্তা এনেছি। চালের বিষয়ে ইউপি সদস্য আবুল খায়ের বলেন কার চাল তিনি সেটা জানেন না।
গালাগাও ইউনিয়নের হতদরিদ্রদের ১০ টাকা কেজি চালের ডিলার আব্দুর রহমান তালুকদার জানান আমি গত চার- পাঁচ দিন আগে চাল দিয়ে শেষ করে ফেলেছি। এই চাল কার আমি বলতে পারব না। তারাকান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়ের বলেন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারী জানান, এলাকাবাসী চাল কাড়াকাড়ি করে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি আমি শুনেছি। তদন্ত করে দেখা হবে এই চাল কোথা থেকে এসেছে এবং এই ইউনিয়নে কোন ভুয়া কার্ডধারী রয়েছে কিনা সেটা যাচাই-বাছাই করে বাতিল করা হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



