
মঙ্গলবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সিন্ধু প্রদেশের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ নাসির হুসেইন শাহের উপস্থিতিতে করাচি কমিশনার ইফতিখার শালওয়ানি জানান, এ ঘটনার কারণ হিসেবে বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করা হলেও ওই গ্যাসের উৎস ও ধরন এখনো জানা যায়নি।তবে তদন্ত চলছে। করাচির নির্দিষ্ট একটি এলাকাতেই এ গ্যাস নিঃসরণের ঘটনা ঘটেছে। লাশের ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে এবং এর প্রতিবেদন আসতে অন্তত ৭২ ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানান শালওয়ানি।
এদিকে ড. জিয়াউদ্দিন হাসপাতালের মুখপাত্র আমির শেহজাদ জানান, গত দু’দিনে ওই হাসপাতালের কেয়ামারি ক্যাম্পাসে নয় জনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানায়, কুতিয়ানা হাসপাতালে আরও দু’জন মারা গেছে।
সিন্ধু স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা সিভিল হসপিটাল করাচিতে আরও দু’জনের মৃত্যুর খবর জানান। বুরহানি হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, এলাকাটির বিভিন্ন স্থানে ২৫০ জন স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের সবারই বিষাক্ত গ্যাসের কারণে শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল।
সিন্ধু পরিবেশ রক্ষা সংস্থার মুখপাত্র মুজতবা বাইগ জানান, মঙ্গলবার ওই এলাকায় জরিপ চালানোসহ সেখানকার বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের কথা হয়েছে। বিষাক্ত গ্যাসের সঠিক উৎস ও কারণ তারা জানাতে পারেননি। এদিকে বাসিন্দাদের ওই এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছেন সিন্ধু প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মুরাদ আলী শাহ। এলাকাটিতে এখনো ‘দুর্গন্ধ’ রয়েছে এবং মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



