
শুক্রবার হঠাৎ করেই যমুনার ভাঙনের কবলে পড়ে এই পরিবারটি। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বাড়িঘর-জমিজমা সবকিছুই বিলীন হয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হারুন-অর-রশিদ তালুকদার বলেন, ‘শুক্রবার হঠাৎ করেই সিমলা স্পারটি দেবে যায়। শুরু হয় তীব্র নদীভাঙন। কেউ বুঝে ওঠার আগেই একের পর এক ভেঙে পড়তে থাকে বসতভিটা। ভাঙনের গতি এতটাই দ্রুত ছিল যে, কোনো আসবাবপত্র সরাতে পারিনি।’ আমিনুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘এমনভাবে ভাঙলো যে নিজেদের জীবন নিয়ে ফিরে আসাই দায় হয়ে পড়েছিল। সম্পদের দিকে ফিরে তাকানোর কোনো সময় ছিল না।’ ভাঙনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফিলতিকে দায়ী করে তারা বলেন, ‘আগে থেকেই জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিলে এই ভাঙন দেখা দিতো না, আমরাও নিঃস্ব হতাম না।’ ছোনগাছা ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল আলম বলেন, ‘নদীভাঙনে আড়াইশ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মধ্যে ৩৫টি পরিবার তাদের বাড়িঘর, আসবাবপত্র কোনোকিছুই সরানোর সুযোগ পায়নি। আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা পরিষদে পাঠিয়েছি। তাদের পুনর্বাসনে সরকারি সহায়তার আবেদন করা হয়েছে।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



