বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর খিলক্ষেত এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের সাবেক নেতা মোহাম্মদ আতিকুর রহমান কাননকে (৫৩) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে খিলক্ষেত থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করে। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাড়িখোলা গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে। তাঁর মায়ের নাম মুছেনা বেগম। বর্তমানে তিনি রাজধানীর খিলক্ষেত থানার বেপারীপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আতিকুর রহমান কানন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি তিনি খিলক্ষেত থানা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক সূত্র বলছে, তাঁর বাবা ফজলুর রহমান নবীনগর উপজেলার লাউ ফতেহপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে তাঁকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। পরে খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। তবে আটকের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
খিলক্ষেত থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “তাঁকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রাপ্ত তথ্য ও অভিযোগ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পুলিশ জানায়, আটকের পর তাঁকে খিলক্ষেত থানায় নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা অভিযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আতিকুর রহমান কানন দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী সমর্থক ও আর্থিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ
তাঁর আটকের ঘটনায় খিলক্ষেত ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এখনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



