
আয়ুব চকরিয়া উপজেলার হরিয়াঘোনা এলাকার সৈয়দ হোসেনের ছেলে। তিনি জেলা পরিষদের প্রধান সহকারী রেজাউলের অফিস সহকারী বলে জানা গেছে।
ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার জাফর বলেন, দুপুর ১টার দিকে আমার কাছ থেকে চাবি নিয়ে রুমে যান আয়ুব। তার কিছুক্ষণ পর আমি ওপরে উঠে দরজা খোলা দেখে ঘরে প্রবেশ করি, তখন তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই।
আয়ুবের স্ত্রী মমতাজ বেগম বলেন, রাতে শহরের বাহারছড়ার বাসায় ছিল, সকাল ১১টার দিকে অফিসে যায়। পরে দুপুর ২টার দিকে ডাকবাংলোর স্টাফ জাফর আমাকে ফোন করে বলেন, চিফ রেজাউল আমাকে ডেকেছেন। পৌনে ৪টার দিকে ১৯ নম্বর কক্ষে আমার স্বামীর মরদেহ দেখতে পেয়েছি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, দিনদুপুরে একটা মানুষ কী করে আত্মহত্যা করতে পারে? তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। স্বামী হত্যার বিচারও দাবি করেন মমতাজ বেগম।
কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক মোশাররফ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর হত্যা না আত্মহত্যা, সেটি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



