
কিশোরগঞ্জ শহরের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে পাগলা মসজিদের অবস্থান। এখানে ইবাদত করলে বেশি সওয়াব পাওয়া যায় বলে মানুষের বিশ্বাস। রোগ-শোক বা বিপদে মসজিদে মানত করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয় বলে ধারণা প্রচলিত আছে। এ সব বিশ্বাস থেকে এখানে প্রতিনিয়ত দান করে মানুষ।
তিন মাস পরপর খোলা হয় মসজিদের দানবাক্স। প্রতিবারই টাকার পরিমাণ কোটি ছাড়িয়ে যায়।
প্রায় সাড়ে তিন মাস পর শনিবার সকাল ৯টার দিকে জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের আটটি দানবাক্স খোলা হয়। পরে দানবাক্সের টাকা বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলার মেঝেতে রেখে গণনার কাজ শুরু হয়। গণনায় মাদ্রাসার ৬২ জন ছাত্র-শিক্ষক ছাড়াও রূপালী ব্যাংকের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বিকেলে গণনা শেষে টাকার হিসাব পাওয়া যায়। কিশোরগঞ্জের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মীর মো. আল কামাহ তমাল বলেন, এবার দানবাক্সে ১ কোটি ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৯৮ টাকা পাওয়া গেছে। পরে পুলিশ পাহারায় স্থানীয় রূপালী ব্যাংকের মসজিদের হিসাবে টাকা জমা করা হয়।
এর আগে গত ২৬ অক্টোবর দানবাক্স থেকে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৪ হাজার ৫৯৮ টাকা পাওয়া যায়। ওই সময় বৈদেশিক মুদ্রা ও বেশ কিছু স্বর্ণালঙ্কারও পাওয়া যায়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



