৯ম শ্রেণির কিশোরী রিয়ার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল চাচাতো ভাই নাইমের। মঙ্গলবার রাতে নিজ বাসায় রিয়ার সঙ্গে নাঈমের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাকে ধর্ষণ করেন নাইম। হত্যার পর মরদেহ বস্তাবন্দি করে প্রাইভেটকারে করে সহযোগীদের সঙ্গে নিয়ে পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারার পদ্মা নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র কয়েক ঘন্টার পর রহস্য উদঘাটন করে বুধবার (৩ জুন) বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনুর রহমান।
রেজিনুর রহমান জানান, সকালে এই অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধারের পরপরই পুলিশের সকল ইউনিট কাজ শুরু করে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তসহ ৩জনকে আটক করা হয়েছে। এখনও ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দেওয়া হয়নি। লিখিত এজাহার দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটির আরও কিছু বিষয় পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রমের পর জানানো হবে।
নিহত রিয়া (১৫) পাবনার ভাড়ারা ইউনিয়নের পূর্ব রাঘপুর এলাকার প্রামানিকের মেয়ে এবং মাওলানা কসিম উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্রী।
আটককৃতরা হলেন- প্রধান অভিযুক্ত পূর্ব রাঘপুর এলাকার মৃত কাশেম উদ্দিনের ছেলে নাইম, একই এলাকার শফিক শেখের ছেলে ইয়াসিন শেখ এবং শিমুল প্রামানিকের ছেলে তুহিন প্রামানিক। জব্দ করা হয়েছে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটি।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
এর আগে সকালে পাবনা সদরের ভাড়ারা ইউনিয়নের পিরপুরে পদ্মার চরে কৃষকেরা কাজে যাওয়ার সময় নদীর তীরে ঠেকানো নৌকার পাশে একটি বস্তা ভাসতে দেখতে পায়। বস্তা খুলেই কিশোরীর মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি হাত বাঁধা এবং গলায় বাজারের ব্যাগে প্যাঁচানো অবস্থায় বস্তাবন্দি ছিল।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



