
গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে বলে জানান বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের পরিদর্শক অসীম মল্লিক এবং আব্দুল্লাহ আস সাদিক।
অভিযানে চিতাবাঘের চামড়া একটি, লজ্জাবতী বানরের চামড়া দুটি, গুইসাপের চামড়া ২২৭টি, হরিণের শিং একটি, সাপের চামড়ার মানিব্যাগ দুটি, সাপের চামড়ার হ্যান্ডব্যাগ ২১টি, হরিণের চামড়ার ব্যাগ ৩২টি, মেছোবাঘের চামড়া একটি, বনবিড়ালের চামড়া একটি, প্রবাল তিনটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর মোট ২৮৮টি ট্রফি ও চামড়া উদ্ধার করা হয়।
ট্রফি হলো কোনো মৃত বা আবদ্ধ বন্যপ্রাণীর সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ, যা প্রক্রিয়াজাত করে স্বাভাবিকভাবে রাখা হয়।
অবৈধভাবে বন্যপ্রাণীর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ব্যবসা করার দায়ে হুমায়ুন কবির নামে এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মমিনুল ইসলাম নামের অপর ব্যক্তিকেও এক বছরের কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


