মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা স্বচ্ছ এবং সুশৃঙ্খল করতে ব্যাপক কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। প্রশ্নফাঁস ও গুজব ঠেকাতে অনলাইন মনিটরিং জোরদারের পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ ডিজিটাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, পরীক্ষা কেন্দ্রিক যেকোনো অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত করতে একটি বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) যুক্ত করে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ চালু করা হয়েছে।এর মাধ্যমে সারা দেশের পরীক্ষা পরিস্থিতির ওপর সরাসরি নজরদারি করবে মন্ত্রণালয়।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে সাইবার অপরাধের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। যারা থানা থেকে প্রশ্নপত্র গ্রহণ করেন, তাদের তালিকা তৈরি করে গোয়েন্দা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা সচল আছে কি না, তাও কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে।
পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বরেন, নতুন সংশোধনীতে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধগুলোকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। সংশোধিত খসড়াটি বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য রয়েছে।
খাতা মূল্যায়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষকদের যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার গুজবের কোনো ভিত্তি নেই বলে স্পষ্ট করেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ‘সুরভি স্কুল’ পরিদর্শনে মার্কিন বিশেষ দূত
কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রেণিকক্ষে যথাযথ পাঠদান নিশ্চিত না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে, যদিও এগুলোর কোনো সরকারি নিবন্ধন নেই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


