
মহাপরিচালক বলেন, ‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ নিয়ে কার্যক্রম শুরুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমরা প্রস্তুতি শুরু করেছি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগামী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তা সম্ভব না হলে স্বাভাবিক পরিস্থিতির জন্য অপেক্ষা করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের জন্য আবেদন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। যেহেতু বিপুলসংখ্যক প্রার্থী নিয়োগের জন্য আবেদন করেন, সে কারণে সার্বিক সবকিছু বিবেচনা করে প্রার্থীরা যাতে ঝুঁকির মুখে না পড়েন, সেসব কিছু বিবেচনা করে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই নারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা আগের চেয়ে বাড়ানো হচ্ছে। এইচএসসি পাস থেকে বাড়িয়ে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি নির্ধারণ হতে যাচ্ছে।’
মহাপরিচালক মোহাম্মদ ফসিউল্লাহ বলেন, ‘নতুন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক-প্রাথমিকে স্তর অনুমোদন হওয়ায় প্রথম ধাপে ২৬ হাজার বিদ্যালয়ে একজন করে এ স্তরে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। এছাড়া সারাদেশে শূন্য হওয়া বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। দুই ধাপে একই সঙ্গে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে’।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক হতে পুরুষদের পাশাপাশি নারী প্রার্থীদেরও শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক হতে হবে- এমন বিধান রেখে গত বছর আগের বিধিমালা সংশোধন করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ জারি করে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



