
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার সাথে বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার সীমান্তবর্তী নতুন টরকি থেকে রমজানপুর রাস্তার বড় ব্রিজ, গৌনদীর লঞ্চ ঘাট থেকে চড় পালড়দী খেয়া ঘাট, ঘোষেরহাট বাজার থেকে খাজুড়তলা হাট ব্রিজ, আগৈলঝাড়া-মাদারীপুর রাস্তার খাঞ্জাপুর বড় ব্রিজসহ ছোট বড় ব্রিজ, কালর্ভাট, পা হাটা পথ, নদীপথসহ সকল যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে বরিশাল প্রসাশন। এতে করে দুই জেলার সিমান্তবর্তী হাট বাজারগুলিতে দৈনন্দীন নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারগুলি লেনদেন করতে হচ্ছে বেড়ার মধ্য দিয়ে।
ডাসার থানার ওসি মো ওহাব মিয়া বলেন, ‘গৌনদী থানার পুলিশ কাজীবাকাই বাজারে এসে আমাদের সহযোগিতায় সবাইকে জড়ো নিষেধ করেছে। ওসব এলাকার লোকজনকে তাদের এলাকায় প্রবেশে বাঁধা দিচ্ছে। আমরাও চেষ্টা করছি সাধারণ মানুষকে জড়ো না হতে। তাদের নিজের এলাকায় হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পর্রামশ দিচ্ছি। এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করা আইনগতভাবে করা হয়নি, মানুষকে সচেতন করতে করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাদারীপুরে করোনাভাইরাস সন্দেহে মোট ৩৩৭ জন হোম কোয়ারেন্টিনে আছে। গৌনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমন এড়াতে মাদারীপুরের সঙ্গে গৌড়নদীর সকল সিমান্তবর্ত্তী সংযোগ সড়ক সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে তবে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক খোলা আছে।
কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, ইতিমধ্যে আমরা যে সমস্ত দোকানে জনগণের ভিড় হয় ঐ সমস্ত দোকান বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দিয়েছি এবং আমরা মাঠে তদারকি করছি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



