Advertisement

জুমবাংলা ডেস্ক : কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় হাত পা বাঁধা দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে ভৈরব নৌ-থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ভৈরবের মেঘনা নদীর রেলওয়ে ও সড়ক সেতুর নিচ থেকে নদীতে ভাসমান অবস্থায় এ মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের একজনের নাম শহিদ বলে জানা গেছে। সন্ধ্যায় ভৈরব নৌ-থানায় এসে শহিদের মা ফিরোজা বেগম তার মরদেহ সনাক্ত করেন। নিহত শহিদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জের চর-চারতলা গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।

অপরদিকে একই অবস্থায় মেঘনার আশুগঞ্জ এলাকা থেকে আরও একটি ভাসমান লাশ উদ্ধার করে একই থানার পুলিশ। সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত আলী মিয়ার ছেলে আইয়ুব খান (৪৫)। আইয়ুব খানের ছেলে জুয়েল মিয়া তার বাবার মৃতদেহ সনাক্ত করেছেন। দুটি মরদেহই আজ শুক্রবার (২২ অক্টোবর) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের সদর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে।

পুলিশ জানায়, নৌকার মাঝিদের থেকে খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার সময় ভৈরব মেঘনা নদীর রেলওয়ে সেতুর নিচ থেকে ভাসমান অবস্থায় একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে, বিকাল পাঁচটায় আরেকটি লাশ মেঘনায় ভাসার খবর পেয়ে ওই লাশ টিত্ত উদ্ধার করা হয়। দুটি লাশেরই গামছা দিয়ে হাত-পা বাঁধা ছিল। লাশ দুটির একটির মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে অপরটির বুকে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দুবৃর্ত্তরা তাদের গামছা দিয়ে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে মেঘনা নদীতে ফেলে দিয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণা পুলিশের।

ভৈরব নৌ-থানার পরিদর্শক সাইদুর রহমান বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ডাকাতির মালের ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে নিজেদের মধ্যে কোন্দলের জেরেই এই হত্যাকান্ড সংগঠিত হয়েছে। নিহত আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১০ ডাকাতি ও হত্যা মামলা রয়েছে। এছাড়া শহিদের বিরুদ্ধেও রয়েছে একাধিক ডাকাতি মামলা। মেঘনায় দুই থেকে তিনটি ডাকাত দল সক্রিয় বলে জানান সাইদুর রহমান।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Saiful Islam is a journalist at Zoom Bangla News with seven years of experience in news writing and editorial work. He contributes to producing accurate, well-structured, and reader-focused content across digital platforms. His work reflects a strong commitment to editorial standards and responsible journalism.