নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার অভিযোগ তুলে রংপুর-৪ ও রংপুর-৬ আসনে ভোট পুনর্গণনার দাবিতে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেছেন বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। এ সময় কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।
অন্যদিকে, রংপুর-৪ আসনের হারাগাছে বিএনপি প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের বিক্ষোভ চলাকালে এনসিপির নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ করেছেন বিজয়ী প্রার্থী আখতার হোসেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিএনপি।
শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন অভিযোগ করেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা হারাগাছ এলাকায় তার দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।
পোস্টে তিনি দাবি করেন, মাইকিং করে এনসিপির কর্মীদের খুঁজে বের করে মারধর করা হচ্ছে। কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। বাড়িঘরে আগুন দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী, রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া) আসনে এনসিপির প্রার্থী আখতার হোসেন শাপলা প্রতীকে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৫৬৪ ভোট।
এদিকে, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনেও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। তারা সন্ধ্যায় বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বর ঘেরাও করে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে অবিলম্বে ফল পুনর্গণনার জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
এই আসনে জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মো. নুরুল আমিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ২০ হাজার ১২৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপির সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৭০৩ ভোট। এই আসনে জাতীয় পার্টির নুর আলম মিয়া ভোট পেয়েছেন ১ হাজার ২৮৭টি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


