
উল্লাপাড়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোশারফ হোসেন জানান, গভীর রাতে তিনি পঞ্চক্রোশী এলাকায় আসামি ধরতে যাওয়ার সময় রাস্তার পাশে গরুটি জবাই করার প্রস্তুতি নিতে দেখেন কয়েকজনকে। এসময় তিনি গাড়ি থেকে নামতেই মূল হোতারা পালিয়ে যায়। তবে ধরা পড়েন গরু বহনকারী নছিমন চালক আবু হাশেম। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বেতকান্দি গ্রামের কসাই সানোয়ার হোসেন ও সাইদুল ইসলাম এবং তাদের সহযোগী মাটিকোড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন। গরুটি জবাই করে এর মাংস সোমবার সকালে উল্লাপাড়ার সলপ রেলওয়ে স্টেশন বাজারে কসাইদের বিক্রির কথা ছিল।
তিনি বলেন, গরুটি ছিল খুবই অসুস্থ। এর শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছিল। বিষয়টি উল্লাপাড়া প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাকে রাতেই অবহিত করা হয়েছে। দুই কসাই ও তাদের সহযোগীকে গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।
উল্লাপাড়া প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোর্শেদ উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনাস্থলে পাঠানো প্রাণি চিকিৎসকদের মাধ্যমে জানা গেছে, গরুটি প্রাণঘাতী লাম্পি স্কিন (এলএসডি) রোগে ভুগছিল। এই গরুর মাংস মানুষের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
পঞ্চক্রোশী ইউপি চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম ফিরোজ জানান, কথিত কসাই সানোয়ার হোসেন ও সাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও এই ধরনের অপকর্মের বহু অভিযোগ রয়েছে। গোপনে অসুস্থ অনেক গরু জবাই করে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে আসছেন তারা। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



