
মারধরের শিকার ওই ব্যক্তির নাম রাকিবুল ইসলাম। তিনি পাবনার ভাংঙ্গুড়া উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। জানা গেছে, মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতনের প্রতিশোধ নিতেই মেয়ের জামাই রাকিবুলকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছেন শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
স্থানীয়রা জানান, ২০০৮ সালে তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুল জলিলের মেয়ে জুলেখা খাতুনের সঙ্গে রাকিবুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর একাধিকবার স্ত্রীকে মারধর ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে রাকিবুলের বিরুদ্ধে। বিষয়টি নিয়ে কয়েকবার সালিনও হয়েছে। কিন্তু সমস্যা সমাধান না হলে গতকাল রাকিবুলকে পিঠা খাওয়ানোর দাওয়াত দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়।
এদিন রাতে খাওয়ার পরে জুলেখাকে মারধর ও নির্যাতনের বিষয়ে রাকিবুলকে জিজ্ঞাসা করেন তার শ্যালক-শ্যালিকা। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। পরে রাত ১১টার দিকে ক্ষিপ্ত হয়ে রাকিবুলকে মারধর করেন তারা। এ সময় প্রতিবেশীরা তাকে উদ্ধার করেন।
রাকিবুল স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘স্ত্রী জুলেখাই তাকে বিভিন্নভাবে গালিগালাজ ও অসদাচরণ করেন।’
রাকিবুলের শাশুড়ি সানোয়ারা খাতুন বলেন, ‘ছেলে-মেয়েরা জামাইকে অসম্মান করায় তাদেরকে শাসন করা হয়েছে।’
তাড়াশ সদর ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল শেখ বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ পেলে মীমাংসা করা হবে।’ তাড়াশ থানার ওসি ফজলে আশিক বলেন, ‘ঘটনাটি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জেনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


