
এদিকে দাবি অনুযায়ী প্রবাসী মো. মাসুম চৌধুরী বিজয়নগর উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক হোম কোয়ারেন্টাইনে (নবনির্মিত হাসপাতাল) অ্যাটাচড বাথরুমের একটি রুম পেয়েছেন। রুমটিতে তাকে একাই রাখা হয়েছে। তবে সেটিতে এসি নেই।
বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহের নিগার বৃহস্পতিবার রাতে জানান, ওই ব্যক্তির সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়। ওনাকে বলা হয়েছে সাধ্যমত সব ধরনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, ‘ওনার চাহিদা অনুযায়ী ইচ্ছে করলেই চাইনিজ খাবার দেওয়া সম্ভব না। ইচ্ছে করলেই এসি লাগিয়ে দেওয়া সম্ভব না। তবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারটি অব্যবহৃত হাসপাতাল হওয়ার পরিবেশ খুবই ভালো। এখানে থাকা খুব একটা অসুবিধার কিছু না। ওনাকে বলেছি শান্ত থাকতে।’
উল্লেখ্য, গত ১১ মে প্রবাসী মো. মাসুম চৌধুরী দেশে আসেন। এরপর থেকে তিন ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনের নিয়ম মানছিলেন না। নাসিরনগর সদরের বাড়িতে গিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার ওই ব্যক্তিকে কোয়ারেন্টাইন মানার অনুরোধ করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ব্যক্তি কৃষি অফিসারের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গেলে তাঁর সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন। অবশেষ বৃহস্পতিবার সকালে ছুটে যান নাসিরনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার। ওই প্রবাসী তাঁকেও পাত্তা দিচ্ছিলেন না। খবর পেয়ে ছুটে যান নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমা আশরাফী। সেনাবাহিনীর টহল টিম, পুলিশসহ সংশ্লিষ্টদেরকে নিয়ে গিয়ে আবারো হোম কোয়ারেন্টাইন মানতে বলা হয়।
এ সময় তিনি নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। যারা অভিযানে গেছেন তাঁরা ছোট চাকরি করেন, ছোট মনমানসিকতার লোক ইত্যাদি বলতে থাকেন। এক পর্যায়ে পুলিশ ফোর্স ও সংশ্লিষ্টদেরকে পিপিই পড়িয়ে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতারের নির্দেশ দেন ইউএনও। এ অবস্থায় প্রবাসী কিছুটা নমনীয় হয়ে আসেন।
প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার কথা বললে তিনি এসি ও অ্যাটাচড বাথরুমের ব্যবস্থা করে দিতে বলেন এক পুলিশ কর্মকর্তাকে। পরে তাকে পুলিশ দিয়ে জেলার বিজয়নগর উপজেলার প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। সেখানে গিয়েও তিনি বেশ উচ্চবাচ্য করেন। সাধ্যমতো সব কিছু করার আশ্বাস দিয়ে তাকে শান্ত থাকার অনুরোধ করা হয়। সূত্র: কালের কণ্ঠ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



