
বুধবার (১ জুলাই) বিকেলে সৈকতের শৈবাল পয়েন্টে মৃত ডলফিনটি বালিয়াড়িতে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা সামিদ বলেন, ‘হঠাৎ করে সৈকতের শৈবাল পয়েন্টে বিকাল ৫টার দিকে একটি ডলফিন ভেসে আসে। ডলফিনটির নাড়িভুড়িও বের হওয়া ছিল। ডলফিনটি মৃত ছিলো।
সৈকতের শৈবাল পয়েন্টে দায়িত্ব পালনকারি ট্যুরিস্ট পুলিশের সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ‘শৈবাল পয়েন্টে মৃত ডলফিনটি দেখতে পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে।
পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ দ্যা নেচার অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আ.ন.ম মোয়াজ্জেম হোসেন রিয়াদ বলেন, ‘ডলফিনটি দেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। এতে নাড়িভুড়ি বেরিয়ে এসেছে। ডলফিনটি বেশিক্ষণ আগে মারা যায়নি। সাগরে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ হলেও কক্সবাজারের বিভিন্ন পয়েন্টে মাছ ধরার বেশ কিছু ট্রলারকে মাছ ধরতে দেখা যায়। সেগুলোর কোন একটি ট্রলারের জালে আটকা পড়ে বা জেলেদের মাধ্যমে আহত হয়েও ডলফিনটির মৃত্যু হতে পারে।’
গেল পাঁচ মাসে বঙ্গোপসাগরের প্রায় ১৫টি ডলফিন ও একটি তিমির মৃতদেহ কক্সবাজার সৈকতে ভেসে আসার তথ্য দিয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন সেইভ দ্যা নেচার বাংলাদেশ। যেগুলোর বেশিরভাগরেই দেহে ক্ষত ও আঘাতের চিহ্ন ছিল বলেও দাবি করেছে পরিবেশবাদী সংগঠনটি।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



