
মামলার নথি অনুযায়ী, ৪ সেপ্টেম্বর সকালে মেয়েটি কোচিংয়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হলে ঝিনাইকুড়ি ব্রিজের কাছে অপহরণকারী আশুতোষসহ চারজন একটি মাইক্রোবাসে মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়।
পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে বিরল থানায় আইনগত সহযোগিতা চান। থানা কর্তৃপক্ষ কোনো সহযোগিতা না করে আদালতে মামলা করতে বলেন। বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করলে ঘটনাটি তদন্তের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দেন। একমাত্র মেয়েকে অপহরণ করায় বাবা-মা দিশেহারা।
স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, ‘থানায় মামলা করতে গেছিলাম কিন্তু মামলা নেইনি। তখন বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করছি।’ ছাত্রীর মা বলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই।’ এদিকে শিক্ষার্থীর বয়স, ধর্ম এবং তারই কোচিং শিক্ষকের অপহরণের ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকার মানুষ।
রাজুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রীর অপহরণের বিচার চেয়েছেন শিক্ষক ও সহপাঠীরা। অপহরণকারী শিক্ষক আশুতোষের মা অপহরণের কথা স্বীকার করে বলেন- তার ছেলে যে এমন কাজ করবে তা ভাবতেই পারছেন না। অভিযুক্ত শিক্ষক আশুতোষের মা বলেন, ‘এটা ঠিক হয়নি। যেহেতু করে ফেলেছে আমারতো করার কিছু নেই।’
এদিকে দিনাজপুর পিবিআই উপ-পরিদর্শক ওয়াহেদুজ্জামান বলছেন, তারা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তদন্ত কাজ শুরু করেছেন। পুলিশের অবহেলার কারণেই অপহরণের ১ মাস পেরিয়ে গেলেও স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি বলে মনে করে পরিবার ও এলাকাবাসী। সূত্র : সময় টিভি অনলােইন।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



