
এদিকে স্থানীয়রা জানায়, বাংলাদেশে যাবজ্জীন আসামিরা ২৫-৩০ বছর জেল খেটেই হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে বের হয়ে যায়। আবার কারো এর থেকেও কম সময়ও লাগে। কিন্তু মতিন তার যাবজ্জীবন তো পালিয়েই কাটিয়ে দিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৮ সালে পারিবারিক কলহের জেরে মতিনের স্ত্রী জান্নাতকে গলা টিপে হত্যা করে । পরে নিহতের মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে প্রচারের চেষ্টা করা হয়। স্ত্রী জান্নাত একই ইউপির হাজীরটেক এলাকার ফয়জ উদ্দিনের মেয়ে। পরে এ ঘটনায় আড়াইহাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
আড়াইহাজার থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ১৯৯১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদালত থেকে ধৃত আসামির বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন দন্ডাদেশ দেওয়া হয়। এর পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।
তিনি আরো বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালাপাহাড়িয়ার বদলপুর এলাকা থেকে স্থানীয় তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ আসামিকে গ্রেফতার করে। আসামিকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



