
নাটোর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত জানান, নাটোর শহরের কান্দিভিটা অবস্থিত হাফিজিয়া মাদ্রাসা তেইশ পারা কোরআনের হাফেজ পারভেজ। করোনা ভাইরাস এর কারণে মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় পারভেজ রমজান মাসে তার গ্রামের বাড়িতে শিশুদের কোরআন শিক্ষা দেয়া শুরু করে। গতকাল কোরআন শিক্ষা দেয়ার পরে সকল শিশুকে ছুটি দিয়ে দেয়। এরপরে সে ওই শিশুটিকে আরো পড়াবে বলে রেখে দেয়। সকল শিশু চলে গেলে পারভেজ ওই শিশুটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এতে শিশুটি চিৎকার শুরু করে। শিশুটির চিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসলে পারভেজ পালিয়ে যায়।
শিশুটির বাবা-মা শিশুটিকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল ভর্তি করে। পরে, পুলিশ পারভেজকে ওই এলাকার মাঠ থেকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার মাহবুবুর রহমান জানান, অনেক রক্তক্ষরণ হওয়ায় শিশুটির অবস্থা খুবই গুরুতর।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



