নাতিকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে সড়কেই প্রাণ গেল দাদা-দাদির

জুমবাংলা ডেস্ক: বগুড়ায় অসুস্থ নাতিকে নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থানা অসুস্থ নাতিসহ দাদা ও দাদি নিহত হয়েছেন। এ সময় অটোরিকশাচালকসহ ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন- বগুড়া সদরের বারপুর মধ্যপাড়ার মৃত ছবির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আশরাফ আলী (৫০), তার স্ত্রী পারুল বেগম (৪২) ও তাদের দু’মাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম।

শনিবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতীবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের এএসআই আবদুল আলিম ও স্থানীয়রা জানান, আশরাফ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি এলাকায় ছেলে আরশেদুল ইসলামের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে তাদের দুমাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম শ্বাসকষ্টে ভুগছিল।

শিশুটিকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সকালে ওই দম্পতি নাতিকে নিয়ে অটোরিকশায় (বগুড়া-থ-১১-১৭৪১) জুমারবাড়ি থেকে বগুড়ার হাসপাতালের দিকে যচ্ছিলেন। সকাল ৮টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতিবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে কুমিল্লা ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আহসান এন্টারপ্রাইজের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫৭৭৫)তাদের অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আশরাফ আলী ও তার স্ত্রী পারুল বেগম মারা যান। আহত হন তাদের অসুস্থ নাতি রেজওয়ান, অটোচালক ও আরেকযাত্রী। বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে শিশু রেজওয়ান মারা যায়।


জুমবাংলানিউজ/এসওআর