২০২১ সালের জুলাইয়ে কোপা আমেরিকায় স্বপ্নের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল। মাঠের লড়াইয়ে মুখোমুখি হয়েছিলেন দুই বন্ধু লিওনেল মেসি ও নেইমার। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। দলকে শিরোপা এনে দিতে না পারার কষ্টে কেঁদেছিলেন নেইমার, তবে ড্রেসিংরুমে গিয়ে বন্ধুর আনন্দে ভাগ বসিয়েছিলেন ঠিকই। মেসির বিপক্ষে আরেকটি ফাইনাল খেলার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন ব্রাজিলের সর্বকালের শীর্ষ গোলদাতা, সেটা বিশ্বকাপে।

বিশ্বকাপ ফাইনালে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উঠবে কি না তা সময় বলে দেবে। কিন্তু নেইমারের জন্য প্রতিটি দিন গুরুত্বপূর্ণ। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে চাপে রেখেছেন। শতভাগ ফিটনেস ফিরে পেলেই কেবল তাকে স্কোয়াডে রাখার শর্ত দিয়েছেন ইতালিয়ান ট্যাকটিশিয়ান। তাই তো যখনই মাঠে নামছেন, নিজের সেরাটা নিংড়ে দিচ্ছেন। গতকাল পেদ্রো বিদেগেইন স্টেডিয়ামে সান্তোস ও সান লরেঞ্জোর কোপা সুদামেরিকানা ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। সেই ম্যাচে সাবেক বার্সা ফরোয়ার্ড পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন। সান্তোসের গোলেও রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ম্যাচ শেষে সান লরেঞ্জো ভক্তরা তাকে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানান। ম্যাচ শেষে নেইমার তার বিশ্বকাপে খেলার তীব্র আকাঙ্ক্ষার কথা জানালেন।
প্রতিপক্ষ দলের ভক্তদের কাছে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়ে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড বললেন, ‘এটা ছিল দারুণ ম্যাচ, দর্শনীয় অভ্যর্থনা। সান লরেঞ্জো ভক্তদের ধন্যবাদ।’ তারপর সেই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠল, যেটা সবার মুখে মুখে: আসন্ন বিশ্বকাপে তার অংশগ্রহণ। তিনি উত্তর দিয়েছেন সোজাসাপ্টা, ‘অবশ্যই, বিশ্বকাপে খেলার ভাবনা একজন ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের মনে থাকবেই। আশা করি আমি সেখানে থাকতে পারব।’
মানিকগঞ্জে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পতি*তাবৃত্তির প্রচারণা, জনমনে উৎকণ্ঠা
শেষের দিকে প্রশ্ন করা হয়, ভবিষ্যতে আবারও মাঠে মেসির সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কি না। ইতিবাচক জবাব দিলেন নেইমার, ‘অবশ্যই, আমি আশা করি। আমরা যদি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হতে পারি, সেটা হবে এক অতুলনীয় মুহূর্ত।’
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


