জুমবাংলা ডেস্ক : কালকিনি উপজেলার বড়চর কয়ারিয়া গ্রামের মৃত্যু কবির শিকদারের ছেলে মোঃ রবিউল শিকদার(২৫) বিয়ে করা জন্য কিছুদিন যাবৎ মেয়ে খুজছেন। খুজতে গিয়ে মেয়ে পছন্দ হওয়ায় পারিবারিক ভাবে উপজেলার দক্ষিন রমজানপুর গ্রামের রোকন সরদারের মেয়ে রাবেয়া আক্তার(১৯) এর সাথে বিয়ে ঠিক হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রবিউল ইসলাম ওই মেয়ের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। এবং নিয়মিত রাবেয়াদের বাড়িতে যাতায়াত করতে থাকেন। বিয়ে করবে বলে প্রতিনিয়ত তালবাহানা করতে থাকলে গত ৩০ শে মে রবিবার সকালে প্রেমিক রবিউল ইসলামের বাড়িতে চলে আসেন রাবেয়া।
এ ব্যাপারে রাবেয়া আক্তার বলেন, গত প্রায় একবছর যাবৎ রবিউলের সাথে আমার সম্পর্ক এবং আমাদের দুজনের পরিবারের পছন্দ হওয়াতে বিয়ের কথা হয়। আমার সাথে রবিউলের সাথে বিয়ের কথা হওয়ার পর থেকে দুজনই প্রেমের সম্পর্কে জরিয়ে যাই এবং আমার সাথে সে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে একাধিকবা শারিরিক সম্পর্ক করেন।
হঠাৎ করে শুনতে পাই রবিউলের সাথে অন্য কোনো মেয়ের সাথে বিয়ের কথা চলছে। রবিউল আমার জীবনের সবকিছু শেষ করে অন্য যায়গায় বিয়ে করতে না পারে তাই আমি আমার অধিকার আদায়ের জন্য বিয়ের দাবিতে রবিউলের বাড়িতে আসছি। রবিউল আমাকে বিয়ে না করে তাহলে আমি আত্মহত্যা করবো।
এ ব্যাপারে রবিউলের মা খুকি বেগম বলেন, আমার ছেলে রবিউলকে বিয়ে করাবো বলেই পারিবারিক ভাবে রাবেয়াকে দেখতে গিয়েছিলাম কিন্তু ছেলে সাথে পড়ে কি ঘটছে তা বলতে পারি না।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


