শিবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ মাসের শিশুর চিকিৎসা নিতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার

নরসিংদী প্রতিনিধি: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ মাসের শিশু সন্তানের চিকিৎসা নিতে গিয়ে লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন তার বাবা-মা।

শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শিবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।

দায়িত্বরত ডাক্তারের হাতে শিবপুর উপজেলার মাছিমপুর ইউনিয়নের দত্তেরগাঁও ভিটিপাড়া গ্রামের বেনজীর আহমেদ খানের ছেলে ইলিয়াস (২৮) ও তার স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার (২০) লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ সময় হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সিরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে ইলিয়াস ও তার স্ত্রী স্বর্ণা আক্তার কে মারধর করার অভিযোগ উঠেছ। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীরা ওই চিকিৎসকরে বিরুদ্ধে হাসপাতালে কর্তৃপক্ষের কাছে তাৎক্ষণিক মৌখিক ভাবে অভিযোগ করেন। এদিকে ডা. সিরাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ থাকলেও অদৃশ্য এক শক্তির ইশারায় কোনো ব্যবস্থা নেননি কর্তৃপক্ষ। তিনি প্রায় দুই যুগ ধরে একই কর্মস্থলে চাকুরি করছেন।

ভুক্তভোগী ইলিয়াস জানান, আমার শিশু সন্তানের চিকিৎসা নিতে এসে প্রথমে শিবপুর সরকারি হাসপাতালে টিকেট নিয়ে সিরাজ উদ্দিন ডাক্তারের কক্ষে জমা দেই। আমি টিকেট জমা দেওয়ার সময় রোগীর টিকেট ছিল তিনটা এক ঘন্টা অপেক্ষার পরও আমার বাচ্চার সিরিয়াল না আসায় আমি ডাক্তারের কক্ষে গিয়ে দেখি ডাক্তার মোবাইল ফোনে কার সাথে যেন কথা বলছেন এবং কক্ষে দুজন মহিলার ও বসে আছেন। তখন আমি বলছি রোগী দেখার জন্য আপনাকে আরো স্লিপ এনে দিব। এ কথা বলার কারণে ডাক্তার ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকে এতে আমার স্ত্রী বাধা দিলে তাকে তিনি কিল ঘুষি মারেন।

শিবপুর সরকারি হাসপাতালে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যাক্তি জানান, ডা. সিরাজ উদ্দিনের স্বভাব চরিত্র ভালো না। তারপরও তিনি কীভাবে দীর্ঘদিন যাবত একই স্থানে চাকুরী করছেন? কিছুদিন পূর্বেও সালিশ দরবার হয়েছে।

মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে ডাক্তার সিরাজ উদ্দিন বলেন, রোগী দেখতে দেরি হওয়ায় আমার সাথে খারাপ আচরণ করলে উপস্থিত লোক জন তাকে ঘাড় ধরে আমার কক্ষ থেকে বের করে দিয়েছে।

শিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম এ বিষয়ে কোন কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান। তবে তখন তিনি উভয় পক্ষকে নিয়ে নিজ অফিস রুমে আপোষ মিমাংসার জন্য ব্যস্ত ছিলেন।


জুমবাংলানিউজ/এসওআর