
আহতদের মধ্যে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তারা হলেন, পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী উত্তর সুন্দরী পাড়ার মৃত ওবাইদুল হকের পুত্র আলাউদ্দিন (৩৫), মৃত বদিউল আলমের পুত্র আমির হোসেন (৩৭), রাজাখালী বদিউদ্দীন পাড়ার নুরুল আলমের পুত্র মনজুর আলম (২৯), রাজাখালী দক্ষিন সুন্দরী পাড়ার মৃত গোলাম রব্বানের পুত্র শাহাদত হোসাইন কালু (৫১) এবং মৃত আবুল বশরের পুত্র শাহদত হোসাইন (৪৫)।
হামলার শিকার জেলেদের উদ্ধৃতি দিয়ে বোটের মালিক পুত্র জোবায়ের আহামদ জানান, তার মালিকানাধীন ‘এফ.বি জেবা রাইসা ফিশিং’ বোটটি গত ৯ ফেব্রুয়ারি মাঝিসহ ১৫ জেলে নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যায়। ১৪ ফেব্রুয়ারি বোটটি বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার কলাতলী পয়েন্ট মাছ ধরছিলো। ওইদিন আকস্মিক ৩০/৩৫ জন দস্যু একটি অজ্ঞাত বোটে করে এসে ‘এফ.বি জেবা রাইসা ফিশিং’ উপর হামলে পড়ে। দস্যুরা ‘এফ.বি জেবা রাইসা ফিশিং’র জেলেদের কিরিচ, ছুরি ও রড দিয়ে ব্যাপকভাবে আঘাত করে। এতে জেলেরা গুরুতর আহত হয়। এক পর্যায়ে সব জেলেদের সাগরে ফেলে দিয়ে ‘এফ.বি জেবা রাইসা ফিশিং’র জাল, মাছসহ সব মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। সব মিলে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল লুটে করা হয় বলে জানান বোটমালিক।
বোটের মালিক আরো জানান, তার বোটের মারধরে শিকার জেলেরা প্রাণপণ সাগরে ভেসে থাকার এক পর্যায়ে অন্য একটি বোটের জেলেরা তাদের দেখতে পায়। তারা এগিয়ে এসে তাদের মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে কূলে নিয়ে আসে। পরে তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়।
তিনি বলেন, জেলেরা ওই দস্যুদের কয়েকজনকে চিনতে পেরেছেন। তারা বাঁশখালী উপজেলার বাসিন্দা। সে কারণে ব্যাপকভাবে মারধর করে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্য আমার বোটের জেলেদের সাগরে ফেলে দিয়েছিলো। এই ঘটনায় আমি কক্সবাজার সদর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। সূত্র : সিবিএন
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



