
গত ৩রা এপ্রিল রাতে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক সোনারগাঁয়ের একটি রিসোর্টে স্ত্রীসহ অবরুদ্ধ হওয়ার পর ব্যাপক ভাঙচুর করেন তার কর্মী-সমর্থকরা। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগকে দায়ী করে রাতেই উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সোহাগ রনির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালান হেফাজতের কর্মী-সমর্থকরা।
ওই দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টি এম মোশাররফ হোসেন। জিজ্ঞাসাবাদ চলার মধ্যেই তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান হেফাজত নেতাকর্মীরা। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, মামুনুলকে হেফাজত নেতাকর্মীদের হাতে তুলে দেয়া হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



