
নাম তার নিশিতা (ছদ্মনাম)। একদিন দেখতে এসেই ছেলেপক্ষের পছন্দ হয়ে যায় তাকে। ব্যাস, ওইদিনই কবুলের কাজ হয় সম্পন্ন।
বিয়ের প্রথম রাত। যাকে বলা হয় বাসর রাত। এ রাত সব দম্পতির জীবনেই হয় বিশেষ। একান্তেই সময় কাটান তারা। এ সময় কি কাউকে দেয়া যায়?
সময় তখন রাত সাড়ে ১২টা। স্বামীর পাশেই নিশিতা। এমন সময়েই পরিচিত এক ছোট ভাইয়ের ফোন। নিশিতা ভাবলেন, ভুলেই হয়তো ফোনটা এসেছে।
ফোন রিসিভ করেই নিশিতা জানতে চাইলেন, কাকে এত রাতে ফোন দিলি? জবাবে ঐ ছোট ভাই বললেন, আপু, তোমাকেই কল দিয়েছি। আমার পরিচিত একজনের জরুরিভাবে রক্ত লাগবে। অবস্থা খুবই খারাপ। এখনই রক্ত দিতে হবে।
চিন্তায় পড়ে গেলেন নিশিতা। স্বামীকে কিভাবে ম্যানেজ করবেন তিনি? অবশেষে স্বামীকে সব খুলে বললেন। সর্বশেষে স্বামীসহ হাসপাতালে গিয়ে রক্ত দেন তিনি। শুধু রক্তই দিলেন না, দুজনই হাসপাতালে ছিলেন সারারাত।
খুশির খবরটা আসলো সকালে। যাকে রক্ত দিয়েছেন তার জমজ সন্তান হয়েছে।
আবেগাপ্লুত হয়ে নিশিতা বললেন, আমার কোন কষ্ট নেই। বাচ্চা দুইটা দেখে প্রাণটা ভরে গেলো। এ দিনটা আমার স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ফেসবুক থেকে সংগৃহীত
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



