
এ ব্যাপারে রায়পুর থানা নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে শনিবার রাতে পুত্রবধূ বাদী হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের চরলক্ষী গ্রামের গিয়াস উদ্দিন বেপারীর পুত্র কবির হোসেনের সাথে একই এলাকার আমিন পাটওয়ারীর মেয়ের সাথে গত দুই মাস আগে বিবাহ হয়। বিবাহের পর থেকে রাবেয়া শশুর বাড়িতে থাকতেন। গত শুক্রবার রাতে বাড়িতে স্বামী কবির হোসেন ও শাশুড়ি অত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে যায়।
সেদিন রাতে শশুরকে খাবার দিয়ে পাশের ঘরের ছোট তিনটি বাচ্চাকে নিয়ে নিজের রুমে গৃহবধূ গুমিয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর শশুর গিয়াস উদ্দিন বেপারী তার বিচানার পাশে এসে স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়া মুখ চেপে ধরে। একপর্যায়ে ধস্তাধস্তি করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।
সকালে ধর্ষণের স্বীকার পুত্রবধূ রাবেয়া বিষয়টি স্থানীয় ব্যক্তিদের অবিহিত করে। খবর পেয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মিন্টু ফরাজী পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ধর্ষক গিয়াস উদ্দিন বেপারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ব্যাপারে নারী শিশু দমন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়। হাজীমারা ফাঁড়ি পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, অভিযোগ পেয়ে ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ধর্ষিতা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


