মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়নের পাঞ্জনখাড়া মৌজায় পারিবারিক এজমালী (যৌথ) যাতায়াতের রাস্তায় বালু ভরাট ও গাছ রোপণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় কয়েকটি পরিবারের চলাচলে ভোগান্তির অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আমিনুর রহমান নামে এক ব্যক্তি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাঞ্জনখাড়া মৌজার এসএ ৪০৮ দাগে ৭২ ও আরএস ৮২৬ দাগে জমি কমে তাদের পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত প্রায় ৬৮ শতাংশ জমিতে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকটি পরিবার বসবাস করে আসছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বাড়িগুলোর যাতায়াতের সুবিধার্থে পূর্বপুরুষরা একটি এজমালী রাস্তা নির্মাণ করেছিলেন এবং ১৯৫৯ সালের লিখিত ছাহাম বন্টননামায়ও রাস্তাটি বহাল রাখা হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাতের বেলা পার্শ্ববর্তী শাহিনুর রহমান ওই রাস্তায় বালু ফেলে ও গাছ রোপণ করে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন। এতে রাস্তা সংকুচিত হয়ে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি, প্রায় ৭০ বছর ধরে ব্যবহৃত রাস্তাটি সংকুচিত হওয়ায় কয়েকটি পরিবার চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তাটির একাংশে বালু ফেলা হয়েছে এবং কিছু স্থানে গাছ রোপণ করা হয়েছে। বর্তমানে স্থানীয়রা সরু পথ দিয়ে চলাচল করছেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহিনুর রহমান। তিনি বলেন, “এটি আমাদের নিজস্ব জায়গা। আমরা আমাদের জায়গায় বালু ভরাট ও গাছ লাগিয়েছি। পারিবারিক বিরোধের জেরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে।”
এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল তিন কার্যদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে নির্দেশ দেন ইউএনও। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌসুমী নাসরিন বলেন, “বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


