সাইফুল ইসলাম : মানিকগঞ্জে এক হিন্দু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে এক মুসলিম গৃহবধুকে সেলসগার্লের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধ পরকীয়া সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর নাম অভিনাশ দাশ। তিনি ঢাকার সূত্রাপুর এলাকার উত্তম দাসের ছেলে। ব্যবসার কারণে বর্তমানে তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসন্তানসহ মানিকগঞ্জ শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করছেন।
অন্যদিকে, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত গৃহবধুর নাম রেশমি আক্তার। তিনি অভিনাশ দাশের দোকানে সেলসগার্ল হিসেবে কাজ করতেন। তার স্বামী প্রবাসে থাকেন।
সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ শহরের একটি আবাসিক ভবন থেকে তাদের আটক করে পুলিশ। পরদিন মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, রেশমি আক্তার দীর্ঘদিন ধরে অভিনাশের দোকানে কাজ করছিলেন। চাকরির সুযোগে তাকে প্রলুব্ধ করে অভিনাশ দাশ তার সঙ্গে অবৈধ পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তোলেন। প্রায় দুই বছর ধরে তাদের মধ্যে এই সম্পর্ক চলছিল। সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হলে রেশমির স্বামী তাকে চাকরি ছেড়ে দিতে চাপ দেন।
পুলিশ আরও জানায়, সম্প্রতি অভিনাশের স্ত্রী মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে গেলে তিনি রেশমিকে নিজের ভাড়া বাসায় নিয়ে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকরাম হোসেন বলেন, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও তার দোকানের মুসলিম সেলসগার্লকে আটক করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


