বিশ্বখ্যাত মোবাইল ব্র্যান্ড এইচটিসি এবার বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের নিজস্ব কারখানায় তৈরি হচ্ছে এইচটিসি স্মার্টফোন, যা সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে এসেছে। দেশের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে এইচটিসির নতুন মডেল ‘ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ’, যা উৎপাদন ও বাজারজাত করছে সেলেক্সট্রা লিমিটেড।

বিশ্বের প্রথম টাচস্ক্রিন হ্যান্ডসেট এবং প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন নির্মাতা হিসেবে পরিচিত এইচটিসি একসময় বিশ্ববাজারে শীর্ষে ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর এই ব্র্যান্ড বাংলাদেশে ফিরে এসেছে। দেশের কারখানায় তৈরি হওয়ায় এই ফোন এখন বিশ্বমানের মোবাইল উৎপাদনকারী দেশের তালিকায় বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ-এর কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য:
ডিসপ্লে: ৬.৭ ইঞ্চির HD+ ওয়াটারড্রপ স্ক্রিন, ইনসেল প্রযুক্তি
রিফ্রেশ রেট: ১২০ হার্জ
প্রসেসর: অক্টাকোর
মেইন ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
মেমোরি: ৬+১২৮ জিবি
সেলেক্সট্রা লিমিটেডের বিপণন বিভাগের প্রধান মামুন খান বলেন, “এই মূল্যস্তরে এইচটিসি ওয়াইল্ডফায়ার ই৭ লাইফ বাংলাদেশের বাজারে সবচেয়ে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয়। দেশে তৈরি হওয়ায় গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়েছে এবং দামও ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখা হয়েছে।”
তাইওয়ান ভিত্তিক এইচটিসি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৮ সালে তারা বিশ্বের প্রথম টাচস্ক্রিন ওয়্যারলেস হ্যান্ডসেট চালু করে। ২০০৪ থেকে উইন্ডোজ মোবাইলভিত্তিক পিডিএ এবং স্মার্টফোন তৈরি শুরু করে এবং ২০০৬ সালে প্রথম এইচটিসি ব্র্যান্ডের ফোন বাজারে আসে।
২০০৮ সালে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন ‘এইচটিসি ড্রিম’ (টি-মোবাইল জি১) লঞ্চের মাধ্যমে তারা অ্যান্ড্রয়েডের জন্মদাতা হিসেবে পরিচিত হয়। যদিও পরবর্তীতে অ্যাপল ও স্যামসাংয়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বাজার শেয়ার কিছুটা কমে যায়, নতুন এই মডেল দিয়ে আবারও নিজের অবস্থান পুনরুদ্ধারের পথে এগোচ্ছে বিখ্যাত এই ব্র্যান্ড।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


