বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মধ্যখাউলিয়া গ্রামে খামারি মো. তাজুল ইসলামের খামারে কোরবানির জন্য দুটি বিশালাকৃতির ষাঁড় প্রস্তুত করা হয়েছে। গরু দুটির নাম ‘কালু’ ও ‘ধলু’।ব

খামার সূত্রে জানা যায়, ১০ ফুট লম্বা ও ৬ ফুট উচ্চতার ‘কালু’র ওজন ৩৫ থেকে ৩৬ মণ। অন্যদিকে ৯ ফুট লম্বা ও ৫ ফুট উচ্চতার ‘ধলু’র ওজন ২৬ মণ।
খামারি তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, কালুর দাম ১৫ লাখ টাকা এবং ধলুর দাম ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের গরু দুটি দিনে দুইবার গোসল করানো হয় এবং চার বেলা খাবার দেওয়া হয়। খৈল, ভূষি, ভুট্টা, কুড়া ও কাঁচা ঘাসে দিনে প্রায় ১৫ হাজার টাকার খাবার লাগে।
তাজুল ইসলাম প্রায় ১০ বছর আগে ‘তাজু ডেইরী ফার্ম’ গড়ে তোলেন। নিজের খামারে জন্ম নেওয়া বাছুর থেকে এবারই প্রথম বড় আকারের এই দুই ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন তিনি।
স্থানীয়রা প্রতিদিনই গরু দুটি দেখতে খামারে ভিড় করছেন।
খামারি জানান, কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি হলে ক্রেতাকে একটি ছাগল উপহার দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী জানান, চলতি মৌসুমে জেলায় কোরবানির জন্য ৩৮ হাজার ৪৩৫টি ষাঁড় প্রস্তুত করা হয়েছে, যার মধ্যে বড় আকারের গরুও রয়েছে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



