অনেকেই ফোন ধীরগতির হয়ে গেলে বা হ্যাং করলে সঙ্গে সঙ্গে ‘রিবুট’ বা ‘রিস্টার্ট’ করার কথা ভাবেন। অনেকের কাছেই এই দুই শব্দ একই মনে হলেও বাস্তবে এদের কাজ ও ব্যবহার কিছুটা ভিন্ন। সঠিক সময়ে সঠিকটি ব্যবহার করলে ফোনের কার্যক্ষমতা ভালো রাখা সম্ভব।

রিস্টার্ট কখন করবেন
রিস্টার্ট হলো সবচেয়ে সহজ ও সাধারণ পদ্ধতি। যখন ফোনে রিস্টার্ট দেওয়া হয়, তখন ডিভাইসটি স্বাভাবিকভাবে বন্ধ হয়ে আবার চালু হয়। এতে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলমান অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ হয়ে যায়, সাময়িকভাবে র্যাম পরিষ্কার হয় এবং ছোটখাটো সফটওয়্যারজনিত সমস্যা দূর হতে পারে। তাই ফোন ধীরগতির হলে, কোনো অ্যাপ ঠিকমতো কাজ না করলে বা নেটওয়ার্ক সমস্যায় রিস্টার্ট দেওয়া সবচেয়ে কার্যকর সমাধান।
রিবুট কখন করবেন
রিবুট সাধারণত আরও গভীর পর্যায়ের পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া বোঝায়। এটি মূলত তখন ব্যবহার করা হয় যখন ফোন সম্পূর্ণভাবে স্থবির হয়ে যায়, স্ক্রিন আটকে যায় বা কোনোভাবেই প্রতিক্রিয়া দেয় না। এ ধরনের অবস্থায় সাধারণ রিস্টার্ট করা সম্ভব না হলে রিবুট বা জোরপূর্বক পুনরায় চালু করার পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
সাধারণভাবে বলা যায়, দৈনন্দিন ছোট সমস্যার জন্য রিস্টার্ট যথেষ্ট। আর ফোন একেবারে কাজ না করলে বা আটকে গেলে রিবুট ব্যবহার করা হয়।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



