
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন শান্তি আলোচনা নিয়ে আশাবাদ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আবারও কমেছে।
মঙ্গলবার লেনদেনে বৈশ্বিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯৫ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৬ দশমিক ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৯২ দশমিক ৮৫ ডলারে।
এর আগে, সোমবার তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেলেও পরে তা আবার কমে আসে। মূলত ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বন্দর অবরোধের নির্দেশ দেওয়ার পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। ওই নির্দেশ আসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সপ্তাহান্তের আলোচনা ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে।
তবে পরে পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন আসে। হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান আলোচনার জন্য আগ্রহ দেখিয়েছে।
তিনি বলেন, “অন্য পক্ষ আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা খুব আগ্রহের সঙ্গে একটি চুক্তি করতে চায়।”
এদিকে দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান পাঁচ বছর পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত রাখার প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র ২০ বছরের শর্তে অনড় থাকায় সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যাত হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশ পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত রাখা নিয়ে একাধিক প্রস্তাব আদান-প্রদান করেছে। যদিও এখনো সমঝোতা থেকে অনেক দূরে রয়েছে উভয় পক্ষ।
তবুও কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, আলোচনা পুরোপুরি ভেঙে যায়নি। বরং সরাসরি দ্বিতীয় দফা বৈঠকের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় একটি সম্ভাব্য সমঝোতার পথ এখনও খোলা রয়েছে—যা তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
সূত্র: বিবিসি
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


