
তিনি বলেন, করোনা শুধু আমাদের শারীরিক আর অর্থনৈতিকভাবেই ভোগাচ্ছে না। আমাদের ফেলেছে এক কঠিন মানসিক সক্ষমতার পরীক্ষায় ফেলে দিয়েছে করোনা। আপন মানুষদের থেকে দূরত্ব রাখা বলাটা যতোটা সহজ আদতে তার থেকে অনেক বেশিই কঠিন সেটা আমরা সবাই টের পাচ্ছি। আমরা যারা পারিবারিকভাবে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে সম্পৃক্ত তাদের সবচেয়ে আপনজন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। এই করোনা মহামারীতে তার সাথে যতোদিনের দূরত্ব হয়েছে তা বোধকরি জীবনে এই প্রথম। ছোটোবেলা থেকেই পারিবারিক আবহই এমন ছিলো যে প্রধানমন্ত্রীকে কখনও পরিবারের বাইরের কেউ মনে হয়নি৷ সুখে দুঃখে খোঁজ রেখেছেন সবসময়, খারাপ সময়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন বটবৃক্ষ হয়ে। সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরুর পর থেকেই সম্পর্ক গাঢ় হয়েছে ও যোগাযোগ বেড়েছে।
ফাহমী গোলন্দাজ বলেন, যখনই উনাকে কাছে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে পথ দেখিয়েছেন মায়ের মতোন। শিখিয়েছেন মানুষের সেবায় কিভাবে দৃঢ়চিত্তে কাজ করে যেতে হয়। এই মহামারীতে পরিবারের এই আপন মানুষটার জন্য চিন্তা হয়, গোটা দেশটাকে একা হাতে সামনে নিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, মহামারী শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবো, আর উনার জন্য দোয়া থাকবে প্রতিটি মুহূর্তে। পৃথিবী সুস্থ হলে তাকে প্রথম যেদিন সালাম করার সুযোগ হবে, মুখ ফুটে হয়তো বলবো কতোটা কঠিন কেটেছে আপন মানুষ শেখ হাসিনার থেকে দূরে থেকে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



