ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুধু ডায়েট মেনে চললেই হবে না, খাবারের ধরন ও প্রস্তুত প্রণালীতেও সতর্ক থাকতে হয়। অনেক খাবার পুষ্টিকর হলেও কাঁচা অবস্থায় খেলে তা লিভারের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। ফলে সমস্যার উন্নতি না হয়ে বরং বাড়তে পারে। তাই ফ্যাটি লিভার থাকলে কিছু খাবার কাঁচা না খাওয়াই ভালো।

১. দুধ ও পনির
কাঁচা দুধ বা পনির খাওয়ার অভ্যাস এড়িয়ে চলা উচিত। ঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা হলে এতে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা লিভারের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই দুধ জাল দিয়ে বা পনির রান্না করে খাওয়াই নিরাপদ।
২. বিভিন্ন শাকসবজি
অনেক শাকে অক্সালেট জাতীয় উপাদান থাকে, যা অতিরিক্ত গ্রহণে শরীরে সমস্যা তৈরি করতে পারে। কাঁচা বা আধা সিদ্ধ শাক খেলে হজমে সমস্যা এবং লিভারের ওপর চাপ বাড়তে পারে। বিশেষ করে পালং শাক ভালোভাবে রান্না করে খাওয়াই উচিত।
৩. ছোলা ও ডালজাতীয় খাবার
কাঁচা ছোলা বা ডাল অনেকেই সালাদ বা চাট হিসেবে খান। কিন্তু এগুলো কাঁচা অবস্থায় খেলে লেকটিন ও অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট পুষ্টি শোষণে বাধা দেয় এবং লিভারে প্রদাহের ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ভালোভাবে ভিজিয়ে বা রান্না করে খাওয়া জরুরি।
৪. ডিম
ডিম পুষ্টিকর হলেও কাঁচা বা আধা সিদ্ধ ডিম খাওয়া ঠিক নয়। এতে সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়ার ঝুঁকি থাকে, যা সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই ডিম সবসময় ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করে খেতে হবে।
৫. মাংস
ফ্যাটি লিভারে প্রক্রিয়াজাত মাংস এড়িয়ে চলা জরুরি। পাশাপাশি বাড়ির রান্না করা মাংসও ভালোভাবে সিদ্ধ হতে হবে। কাঁচা বা কম রান্না করা মাংসে থাকা ব্যাকটেরিয়া লিভারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুষম খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়ামও গুরুত্বপূর্ণ। খাবার যতই স্বাস্থ্যকর হোক, সঠিকভাবে রান্না না করলে তা উপকারের বদলে ক্ষতিই করতে পারে।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


