জুমবাংলা ডেস্ক : করোনার কারণে বিভিন্ন স্থানে বাংলা বর্ষবরণের আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়েছে ভিন্ন আঙ্গিকে। কোথাও অনলাইনে, কোথাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে এর আয়োজন। এদিকে, খাগড়াছড়িতে সাংগ্রাই উৎসব পালিত হয়েছে পারিবারিকভাবে।
নববর্ষে নেত্রকোনার হাটখোলা বটতলায় প্রতি বছরের ঐতিহ্যবাহী মেলায় ছেদ পড়েছে পরপর ২ বছর। তবুও শিল্পী মন কি মানে সে বারণ? তাইতো বাংলা নতুন বছরকে বরণ করতে এখানে ব্যতিক্রমী আয়োজন। যে যার অবস্থানে থেকে পরিবেশন করলেও অনলাইনে উপভোগ করেছেন সবাই।
লোকজ ঐতিহ্যের অন্যতম অনুষঙ্গ পটচিত্র। করোনার ছোবলের শঙ্কা নিয়েও বর্ষবরণের আয়োজনে গাজী-কালুর কিচ্ছার আসর বসে গাজীপুরে।
বরিশালে চারুকলার আয়োজন হয় সীমিত আকারে। বর্ষবরণের আবহ তৈরি করে মঙ্গল শোভাযাত্রার উপকরণ তুলে ধরা হয়। অনলাইনে তা প্রচার করা হয় দর্শকদের জন্য।
এদিকে, পার্বত্য অঞ্চলের সাংগ্রাইয়ের আনুষ্ঠানিকতা ছিল পারিবারিকভাবে। শুদ্ধতা এসে মুছে যায় গ্লানি -এই বিশ্বাসে জলকেলিতে মাতোয়ারা ছিল মারমা সম্প্রদায়ের লোকজন।
দেশের অন্যান্য স্থানেও সীমিত পরিসরে চলে বাংলা বর্ষবরণ।
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।


