Advertisement
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জার্মানীর হেলসে প্রদেশের ওয়াল্ডসলমস গ্রামের এক নারী সাত দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৬৩ কোটি ৫০ লাখ টাকার বেশি) মূল্যের সম্পদ রেখে মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পর সেসব সম্পদ পেলেন ওই গ্রামের মানুষ। প্রাপ্ত অর্থ গ্রামের উন্নয়নে ব্যয় করবেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন।

জানা যায়, ওই নারীর নাম রিনেট ওয়েডেল। ১৯৭৫ সাল থেকে তিনি ওয়াল্ডসলমস গ্রামে বাস করছিলেন। তার স্বামী আলফ্রেড ওয়েডেল শেয়ার বাজার থেকে অনেক অর্থ আয় করেছন। ২০১৪ সালে আলফ্রেডের মৃত্যু হলে সেসব অর্থ ও সম্পদের মালিক হন রিনেট। কিন্তু বার্ধক্যজনিত কারণে ২০১৬ সাল থেকেই নার্সিং হোমে বসবাস করছিলেন তিনি। গত বছর ডিসেম্বর মাসে ৮১ বছর বয়সে তিনিও মারা যান। পেছনে রেখে যান তার সম্পত্তি ও অর্থ।

সিএনএন বলছে, গত এপ্রিলে প্রথমবার জানা যায় রিনেট তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে তার সম্পত্তি ও অর্থের হিসেব রেখে গেছেন। তাদের কোনো সন্তানও নেই। নিকট আত্মীয় বলতে রিনেটের এক বোন ছিল। তিনিই ছিলেন এসব সম্পত্তির উত্তরসূরি। কিন্তু তার সেই বোনও বেশ আগে মারা গেছেন। এরফলে বেনামী হয়ে যায় রিনেটের অর্থ ও সম্পদ।

জার্মান এই নারীর রেখে যাওয়া সম্পদ প্রসঙ্গে স্থানীয় মেয়র বের্নড হেইন বলেন, আমি প্রথমে ভেবেছি এটা অসম্ভব। কিন্তু পরে দেখলাম আসলেই এমনটা ঘটেছে।

সিএনএন বলছে, কোনো উত্তরসূরি না থাকায় প্রথমে শহর কর্তৃপক্ষ এসব সম্পদ দেখভালের দায়িত্ব নেয়ার পরিকল্পনা করেছিলো। কিন্তু বাড়ির দেখভাল ও কমিউনিটির অন্যান্য খরচ বেশি হওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।

তবে শহর কর্তৃপক্ষ রিনেটের রেখে যাওয়া সম্পত্তির দায়িত্ব না নিলেও এগিয়ে এসেছেন ওয়াল্ডসলমস গ্রামের স্থানীয়রা। তারা বলছেন, কমিউনিটির উন্নয়নের কাজে এসব অর্থ ও সম্পদ ব্যবহৃত হবে। ওয়েডেল দম্পতির প্রতি আমরা এজন্য কৃতজ্ঞ।

Zoom Bangla News
Zoom Bangla News
inews.zoombangla.com
Follow

Follow Zoom Bangla News On Google

Open the Google follow page and tap the checkmark option to receive more updates from Zoom Bangla News in your Google news feed.

Follow Zoom Bangla News On Google

Sibbir Osman is a professional journalist currently serving as the Sub-Editor at Zoom Bangla News. Known for his strong editorial skills and insightful writing, he has established himself as a dedicated and articulate voice in the field of journalism.