
সম্প্রতি প্রকাশ করা ফেসবুকের হালনাগাদ ট্রান্সপারেন্সি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে অনুরোধগুলো চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে পাঠানো হয়েছে। অনুরোধের প্রেক্ষিতে ৪৪ শতাংশ ক্ষেত্রে কিছু তথ্য দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
এর আগে ২০১৯ সালের শেষ ৬ মাসে ১৭৯ টি অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ সরকার।
শুধু বাংলাদেশ সরকারই নয়, তথ্য চেয়ে ফেসবুকের কাছে অনুরোধ পাঠিয়েছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানির মতো পরাশক্তির দেশগুলোও।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিগত সময়ের তুলনায় জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বছরের প্রথমার্ধে তথ্য চাওয়ার হার বেড়েছে ২৩ শতাংশ। সারা বিশ্ব থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৭৫ টি অনুরোধ এসেছে বছরের প্রথম ছয় মাসে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে প্রথমবারের মতো সরকারের পক্ষ থেকে করা অনুরোধে সাড়া দিয়ে ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তথ্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে কর্তৃপক্ষ।
কোন দেশের সরকার কী ধরনের অনুরোধ জানিয়েছে তা তুলে ধরলেও কোন একাউন্টের তথ্য চাওয়া হয়েছে তা প্রকাশ করে না জনপ্রিয় এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি।
ফেসবুক ট্রান্সপারেন্সির প্রতিবেদনটি দেখুন এই লিংকে https://transparency.facebook.com/government-data-requests/country/BD
জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুমবাংলা গুগল নিউজ, জুমবাংলা টুইটার , জুমবাংলা ফেসবুক, জুমবাংলা টেলিগ্রাম এবং সাবস্ক্রাইব করুন জুমবাংলা ইউটিউব চ্যানেলে।



